সিসি নিউজ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের যে অভিযোগগুলো বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে করেছিল, তা নাকচ হয়েছে।
তিনি বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, ওই আদালতের একজন প্রসিকিউটর ফাতোউ বেনসউদা সম্প্রতি এক চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে, এসব অভিযোগের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি আবারও প্রমাণ হল, জামায়াত-বিএনপি ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠী স্বাধীন বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচারে লিপ্ত রয়েছে। বিশেষ করে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালে তাদের গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এ ধরনের অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিতদের দুটি দল জামায়াত ও বিএনপি ২০১৩ সাল থেকে নেদারল্যান্ডসের দি হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযোগগুলো করেছিল বলে জানান মন্ত্রী।
বিএনপি ও জামায়াতের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার বিরোধী দলের উপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে, যা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।
তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মাহমুদ আলী বলেন, “তুরস্ক রিকল করেনি, কনসালটেশনের জন্য ডেকেছে, এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তুরস্কে আমাদের রাষ্ট্রদূতকেও আমরা ডেকে পাঠিয়েছি।”
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর তীব্র অসন্তোষ জানান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তাইপ এরদুয়ান। তারপরই ঢাকা থেকে রাষ্ট্রদূতকে নিয়ে যাওয়া হয়।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোনো নমনীয়তা দেখাচ্ছে না দাবি করার পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “(তুরস্কের সঙ্গে) সম্পর্কটা চলমান রয়েছে, কোনো চিড় ধরেনি।”