সিসি নিউজ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, বিনিয়োগ সংক্রান্ত ৪টি চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ-কুয়েতের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত চুক্তি বাস্তবায়িত হলে এ খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি পাবে।
সোমবার জাতীয় সংসদে সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, গত ৩-৫ মে এই তিনদিনে কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এ সফর ছিল গত ১০ বছরের মধ্যে জিসিসিভুক্ত কোনো দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রথম ভিভিআইপি সফর, যা কুয়েতসহ এতদ অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং সরকারের পররাষ্ট্র নীতির একটি বিশেষ অর্জন।
গত মাসের ৩-৫ মে কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরকালে দু’দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও পারস্পরিক সুরক্ষা সংক্রান্ত, কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীদের ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত, সামরিক প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত ও পায়রা (লেবুখালী) সেতু প্রকল্পের কুয়েত ফান্ড কর্তৃক দ্বিতীয় দফায় ঋণ প্রদান সংক্রান্ত এই চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কুয়েত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে কঠোর ভিসা নীতি অনুসরণ করে আসছিল। কিন্তু এ সফরকালেই তারা বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা কুয়েতে আগমনী ভিসা সুবিধা পাবেন।