• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

বাবুল আক্তারকে ফাঁসাতে ‘পরকীয়া কেচ্ছা’

resize64808সিসি ডেস্ক: পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলা তদন্তে পরকীয়া’র আভাস মিলেছে। এই পরকীয়ার জেরেই খুন হয়েছেন মিতু, এমনটিই ধারনা করছে তদন্তকারী গোয়েন্দা সুত্রগুলো।

বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যই মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারকে গত শুক্রবার ঢাকা থেকে আটক করে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খুনিদের মুখোমুখি বসিয়ে নিজ স্ত্রী হত্যায় বাবুল আক্তারের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হতে চাইছেন গোয়েন্দারা। নিশ্চিত হওয়া মাত্রই হত্যা মামলায় গ্রেফতার হবেন এসপি বাবুল আক্তার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালও বলেছেন, কয়েকজন আসামির মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বাবুল আক্তারকে।

এদিকে এই স্পর্শকাতর হত্যাকান্ডে জড়িত খুনিরা এখন গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে। এই খুনিদের সংখ্যা ৫ থেকে ৬ জন বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সুত্র। এদেরকে আটক করেছেন, বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মহিউদ্দিন সেলিম। গত এক সপ্তাহের ভেতর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে খুনিদের আটক করে তিনি। এরা সকলেই ‘পেশাদার ভাড়াটে খুনি’ বলে ধারনা করা হচ্ছে।

পুলিশের একটি সুত্র জানিয়েছে, মিতু হত্যা মামলা তদন্তভার গোয়েন্দাদের হাতে থাকলেও খুনিদের ধরার ব্যাপারে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি মহিউদ্দিন সেলিম।

দীর্ঘদিন চট্টগ্রামে কাজ করার সুবাদে বন্দরনগরীর অপরাধ জগতের অনেক অপরাধীকেও তিনি চিনতেন। এ কারনেই তাকে খুনিদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের উদ্ধতর্ন কর্মকর্তারা তাকে বলেছিলেন।

ঘটনার সময় ওসি মহিউদ্দিন সেলিম বিদেশে ছিলেন। বিদেশ থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পর তাকে অলিখিতভাবে খুনিদের ধরার জন্য বলা হয়। এরপরই ওসি মহিউদ্দিন সেলিম মাঠে নামেন এবং মিতুর ৫ থেকে ৬ জন খুনিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা পুলিশকে সহযোগীতা করেন।

বন্দরনগরীর একটি সুত্র জানিয়েছে, খুনিদের আটকের পরই তাদের কাছ থেকে মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারের পরকীয়ার বিষয়টি জানতে পারেন হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা। আটক হওয়া খুনিদের মধ্যে মুসা ও ওয়াসিম হচ্ছে এসপি বাবুল আক্তারের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সোর্স। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, এদের মাধ্যমেই নিজ স্ত্রীকে খুন করার পরিকল্পনা করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

এছাড়াও হত্যাকান্ডের আগে ও পরে খুনিদের সঙ্গে বাবুল আক্তারের কথোপকপনের রেকর্ড মিলেছে এসপির ও খুনিদের ব্যবহৃত কললিষ্ট থেকে। এই কললিষ্ট ও কথোকপনের রেকর্ড ও গোয়েন্দাদের হাতে।

সুত্রগুলো বলেছে, সবদিক থেকে নিশ্চিত হওয়ার পরই গত শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ঢাকায় আসে। তারা স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের সহায়তায় এসপি বাবুল আক্তারকে পুলিশ রাজধানীর রামপুরা বনশ্রীর বাসা থেকে বাবুল আক্তারকে আটক করে নিয়ে যায়।

পুলিশ সুত্রে আভাস মিলেছে, এসপি বাবুল আক্তার পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন। এ নিয়ে স্ত্রী মিতুর সঙ্গে প্রায়ই তার ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকতো। যে মহিলার সঙ্গে এসপি’র সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে তার তথ্যও গোয়েন্দাদের হাতে। তাকেও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যে কোন সময় তাকেও আইনের আওতায় করা হতে পারে।

উৎসঃ   যমুনা নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ