আজমল হক আদিল, বদরগঞ্জ (রংপুর) : অজ্ঞাত কারণে শিক্ষাবোর্ডে ফলাফল স্থগিত হলেও ভুয়া সার্টিফিকেটের জোরে চাকরি করছেন আমজাদ হোসেন নামে একজন সুপার। রংপুর সদর উপজেলার পালিচড়া একরামিয়া ও খান চৌধুরী দাখিল মাদরাসায় এঘটনা ঘটে। এব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রনালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হলেও অদৃশ্য খুঁটির জোরে বহাল তবিয়তে আছেন ওই সুপার।
লিখিত অভিযোগ সুত্রে, ওই মাদরাসার প্রধান (সুপার) আমজাদ হোসেন ১৯৮৯সালে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী কাজীহাল দাহসাথিয়া দাখিল মাদরাসা থেকে আলিম পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করে তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তার ফলাফলটি স্থগিত হলে তিনি পরবর্তিতে ওই মাদরাসা থেকে দ্বিতীয় বিভাগের একটি ভুয়া সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে রংপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালিচড়া একরামিয়া ও খান চৌধুরী দাখিল মাদরাসায় প্রধান পদে চাকরিতে যোগদান করেন। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করার পর বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর পক্ষ্যে শাহিন আলম নামে এক ব্যক্তি বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
এবিষয়ে মঙ্গলবার অভিযোগকারী শাহিন আলম বলেন, তৎকালিন সময়ে ওই মাদরাসায় প্রধান (সুপার) পদে চাকরির ক্ষেত্রে দুই বিষয়ে দ্বিতীয় বিভাগের সরকারী নিয়ম থাকলেও ধুর্তবাজ সুপার আমজাদ হোসেনের তা ছিলনা। তাই তিনি একটি ভুয়া সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে প্রধান পদে চাকরিতে যোগদান করছেন। আমরা এলাকাবাসী অনেকদিন পর বিষয়টি জানতে পেরে সোচ্ছার হয়ে উঠি। কিন্তু সুপারের ভুয়া সার্টিফিকেটের সমস্থ নথিপত্র সংগ্রহ করে একাধিক দফতরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করার পরেও কোন ফল পাইনি। প্রভাবশালী আমজাদ হোসেন টাকার বলে এখনো মাদরাসায় সুপার পদে বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
এরপর পালিচড়া একরামিয়া ও খান চৌধুরী দাখিল মাদরাসার অভিযুক্ত সুপার আমজাদ হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন ঢাকায় অবস্থান করছি। তাই ফিরে এসে আপনাদের সাথে ওই বিষয়ে স্বাক্ষাতে কথা বলব।