• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণের আশ্বাস সংস্কৃতিমন্ত্রীর

diarসিসি ডেস্ক: হাঁটি হাঁটি পা পা করে পথচলার এক বছর পার করেছে জাতীয় ভিত্তিক সাংস্কৃতিক-সামাজিক সংস্থা ‘দিয়াড়’। মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতির বিকাশের প্রত্যয়ে এক বছর আগে পথচলা শুরু দিয়াড়’র। পথচলার এক বছর পূর্তিতে গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
গম্ভীরাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জের লোকসংস্কৃতি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধিতে সরকারি পৃষ্টপোষকতা ও জাদুঘর স্থাপনের দাবির প্রেক্ষিতে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছে, গম্ভীরা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর জন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেলে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। সংস্কৃতি একটি শিশুকে প্রকৃত মানুষ হিসাবে গড়ে তোলে। এর চর্চা ছাড়া শিশু যান্ত্রিক হয়ে যায়।
সংগঠনটির আহ্বায়ক মুখলেসুর রহমান মুকুলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হকের সঞ্চলনায় সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক এলতাস উদ্দিন, বিখ্যাত কার্টুনিস্ট অধ্যাপক রফিক-উন নবী (রনবী), সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আমিনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গুণীব্যক্তিদের সংবর্ধনাও প্রদান করা হয়। শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গম্ভীরা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের চাঁপাইনবাবগঞ্জের গর্ব অধ্যাপক এলতাস উদ্দিনকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। গম্ভীরার মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গম্ভীরা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সরকারি পৃষ্টপোষকতা ও জাদুঘর স্থাপনের দাবি জানানো হয়।
দিয়াড় সংগঠনটির নামের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দিয়াড় নামটা ভারী সুন্দর। বয়সের বিবেনায় এটি এখন উন্নতি করতে শুরু করেছে। এটা ঠিক বাজেটের কিছু ঘাটতি থাকলেও বাংলাদেশে সংস্কৃতি চর্চায় সচেষ্ট রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে আসলে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে।
উল্লেখ্য, লোকসংস্কৃতির বিকাশ এবং সংস্কৃতিসমৃদ্ধ আগামী প্রজন্ম গড়তে কাজ করছে ‘দিয়াড়’। ইতোমধ্যে সাফল্যের সঙ্গে একটি বছর পার করেছে সংস্থাটি। গম্ভীরা, আলকাপ, বিয়ের গীত, লাঠিখেলা, ঝার্নিখেলাসহ আমাদের গ্রাম-বাংলার মূল সংস্কৃতিকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায় দিয়াড়। শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গে যৌথ আয়োজনে দিয়াড়’র এ জাতীয় গম্ভীরা উৎসবের আয়োজন করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ