সিসি নিউজ: সম্মেলনের আগেই দলের শুদ্ধি অভিযান শেষ করবে আওয়ামী লীগ। মূলত দুর্নীতিগ্রস্থ নেতাদের চিহ্নিত করতেই এই অভিযান। এর মধ্য দিয়ে দুর্নীতিবাজ নেতাদের সরিয়ে সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায় ক্ষমতাসীন দলটি।
দলীয় কোন্দল সৃষ্টিকারী অনেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে গোপন যোগাযোগের, যারা বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে খুন্ন করেছেন দলের ভাবমূর্তি। অনেকেই জড়িত ছিলেন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্যে। এছাড়া অনেক নেতাই দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে নির্বাচনের সমর্থন দিয়েছেন প্রতিপ্রক্ষের প্রার্থীকে। এমনকি অনুপ্রবেশকারীদের পদও দিয়েছেন কমিটিতে। মূলত এদের চিহ্নিত করতেই শেখ হাসিনার নির্দেশে ঈদের পরেই শুরু হয়েছে শুদ্ধি অভিযান। তৃণমূলের মতামত শুনে ও যাচাই করে এসব বিতর্কিত নেতাদের বিষয়ে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করছেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদকরা। যাদের ভাগ্য নির্ধারিত হবে জাতীয় সম্মেলনে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ জানিয়েছেন, ‘দুর্নীতিগ্রস্থ নেতাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আগামীতে দলকে আরো সময় উপযোগী, আরো গতিশীল এবং সাধারণ মানুষের কাছে আরো গ্রহণযোগ্য করার জন্য দলকে ঢেলে সাজানোর চিন্তা সাধরণত থাকবেই। যাদের কর্মকান্ড দলকে বিব্রত করছে পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ জানিয়েছেন, বিতর্কিত নেতাদের একটি তালিকা রয়েছে। এছাড়া একাধিক গোয়েন্দা তাঁকে তথ্যও দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘একজন সাংগঠনিক সম্পাদক তাঁর রিপোর্টে যা উল্লেখ করেছে তা নিয়ে সেন্ট্রাল কমিটিতে আলোচনা না হলে রিপোর্ট অনুযায়ী কেউ সিদ্ধান্ত দেবেন বলে আমার মনে হয়। তাই আমাদের সেন্ট্রাল কমিটিতে এ ব্যাপারে একটি আলোচনা হবে।’
জাতীয় সম্মেলনে দলকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হলে এ অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
সূত্র: ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি