• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পাঁচবিবিতে বিদ্যালয়ের ছাদে ডিস এন্টেনা !

পাঁচবিবি, (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কাঁশড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে ১৫ বছর ধরে ক্যাবল নেটওয়ার্কের ডিস এন্টেনা স্থাপন করে ব্যবসা করলেও ভ্রুক্ষেপ নেই স্থানীয় কর্র্তৃপক্ষের। ওই ডিস এন্টেনাকে ঘিরে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে বিরুপ প্রভাব পরলেও এন্টেনাটি সড়ানোর উদ্যোগ নেয়নি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিংবা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। জেলা শহর থেকে অধিক চ্যানেলের লাইন গ্রামে আসায় বর্তমানে স্কুল ছাদের ডিস কার্যক্রম বন্ধ আছে।
সরেজমিনে জানা যায়, গত ১৫ বছর আগে স্থানীয় কয়েকজন যুবক উপজেলার কাঁশড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে ডিস এন্টেনা (বড় ছাতা) বসিয়ে এলাকায় কয়েক ’শ টিভি গ্রহককে সংযোগ দিয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সেই সময় প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাথে বিশেষ সখ্যতা থাকায় ওই ক্যাবল নেটওয়াক ব্যবসায়ী নির্বিঘেœ ডিস এন্টেনা স্থাপন করেন ব্যবসা চালিয়ে যায়। অভিভাবকগন সোচ্চার হলেও এন্টেনাটি সরানোর কোন উদ্যোগ নেননি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা সংশ্লিষ্টরা।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক ছানোয়ার হোসেন জানান, তিনি ১৯৮১ সাল থেকে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলেও কে এই ডিস এন্টেনা স্থাপন করেছেন এ বিষয়ে কিছু জানেন না। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজিজুর রহমানের নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনিও বলেন আমি কিছু জানি না। তবে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন জানান, তিনি সবেমাত্র সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন। জরুরী সভা আহবান করে স্কুলের ছাদ থেকে ডিস এন্টেনা সরানোর ব্যবস্থা নেবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ