• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে জনরোষে ৪ কাউন্সিলর

রাজশাহী: জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট পৌরসভার চার কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এক নারী নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌরসভার অডিটরিয়ামের রেস্ট হাউসে তাদের আটক করা হয় বলে জানায় এলাকাবাসী। পরে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা তাদের ছাড়িয়ে নেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যার পর কাউন্সিলর গোলাম মোর্তজা, আমিরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও লুৎফর রহমান পৌরসভার রেস্ট হাউসে এক নারীকে নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছিলেন। এ সময় স্থানীয়রা তাদের ওই কক্ষে নারীসহ আটক করে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা তাদের অবমুক্ত করেন।

এ সময় ওই নারীসহ কাউন্সিলররা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা বাধা দেন। এতে উত্তেজনা দেখা দিলে কাঁকনহাট তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ চার কাউন্সিলরকে জনগণের রেষানল থেকে উদ্ধার করে নিজ নিজ বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কাঁকনহাট তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন বলেন, ‘আমি ওই নারীর সঙ্গে কথা বলেছি। এ ব্যাপারে তার কোনো অভিযোগ নেই। এ জন্য কাউকেই আটক করা হয়নি।’

এ ব্যাপারে কথা বলতে মঙ্গলবার রাতে পৌরসভার মেয়র আবদুল মজিদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ ছাড়া অভিযুক্ত কাউন্সিলর গোলাম মোর্তজার মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে। কাউন্সিলর লুৎফর রহমান ফোন ধরেননি। আর কাউন্সিলর আমিরুল ইসলাম বলেছেন, সম্প্রতি তিনি অস্ত্রোপচার করেছেন। চিকিৎসক তাকে কথা কম বলতে বলেছেন। তাই তিনি কথা বলবেন না।

তবে কাউন্সিলর মিজানুর রহমান বলেন, ‘বয়স্ক ভাতার জন্য আমাদের এক কাউন্সিলরের কাছে ওই নারী এসেছিলেন। আমরা চারজন কাউন্সিলর সেখানে ছিলাম। কিছুক্ষণ পর আমি চলে যাই। এরপর ওই নারীও বের হয়ে চলে যাচ্ছিলেন। তখন ১০-১২ জন লোক ওই নারীকে ধরে এনে কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলেন।’

মিজানুর রহমান দাবি করেন, পৌরসভার কাউন্সিলরদের মধ্যে গ্রুপিং আছে। তাদের বিরোধী পক্ষ এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

তবে স্থানীয়রা দাবি করছেন, পৌরসভার অডিটরিয়ামের ওই বিলাসবহুল রেস্ট হাউসে মদের আড্ডা বসে। রাত-বিরাতে সেখানে অচেনা নারীদেরও যাতায়াত আছে। রেস্ট হাউসটি রীতিমতো ‘জলসাঘরে’ পরিণত হয়েছে বলেও অভিযোগ এলাকাবাসীর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ