সিসি নিউজ: নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলাধীন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কর্তৃক গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন মূলক বাস্তবায়নের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার খগাখড়িবাড়ী গ্রামের এলাকাবাসীর পক্ষে নওশের আলম ইউপি সদস্য (সাবেক) অভিযোগ করেন যে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নায়েমা তাবাচ্ছুম শাহ্ দীর্ঘদিন যাবৎ অত্র উপজেলায় তার অনুসারী ঠিকাদার ব্যক্তির সমন্বয় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয় মূলক কাজের ১০টি কালভাট নির্মানের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। তিনি নিয়ম-কানুন উপেক্ষা করে তার ব্যক্তির ক্ষমতায় বরাদ্দকৃত টি.আর, জি.আর, মসজিদ-মাদ্রাসা ও মন্দিরের ইস্টিমেট কৌশলে পরিবর্তন করেন। ফলে সাধারন উপকারভোগী মানুষগুলি হতাশা গ্রস্থ ও হয়রানির শিকার হন।
তিনি নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না, মাঝে-মধ্যে অফিসে উপস্থিত পাওয়া গেলেও অফিসের কর্মচারীর থেকে সাধারন মানুষের সঙ্গে খারাপ আচরণের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। এ বেপারোয়া কর্মকর্তা সাধারন উপকার ভোগী মানুষের জন্য অকল্যাণকর। এমতাবস্থায় আমি অত্র নীলফামারী জেলার প্রশাসক এর নিকট তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের আবেদন করি।
পরবর্তীকালে তার বিরুদ্ধে তদন্ত হইলে উক্ত তদন্তটি সঠিক প্রমানিত হয়। এ প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক গত ১৫/১০/২০১৪ ইং তারিখে কমোউত্তর জরিপ যাচাই প্রতিবেদন ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক তার বিরুদ্ধে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন। গত ১২/১২/২০১৬ ইং তারিখে অত্র উপজেলা প্রশাসনিক নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক কারন দর্শানোর জন্য তাহাকেও নোটিশ প্রদান করেন। কোন কিছু কে তোয়াক্কা না করে অত্র কর্মস্থলে বহাল আছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।
অভিযোগকারী বলেন, তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়তার পরিচয়দানকারী হিসেবে সকল কর্মকর্তা কর্মচারী গনকে সকল ক্ষেত্রে হুমকি প্রদর্শন করেন।