• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

জলঢাকা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদে ফয়সাল মুরাদ বিজয়ী

সিসি নিউজ: নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল মুরাদ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি টিউবয়েল প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ২৬ হাজার ৩৪০ ভোট বেশী পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে তার প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ ৪১ হাজার ৪৭৩। একই পদে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মশিউর রহমান বাবু পেয়েছেন ১৫ হাজার ১৩৩ ভোট এবং অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা জাসদের সভাপতি গোলাম পাশা এলিচ পান ১৪ হাজার ১৩৩ ভোট।

সোমবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিলহাস উদ্দীন এই ফল ঘোষণা করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, জলঢাকায় ৮৩টি কেন্দ্রের ছয়শ’ ৭৫টি বুথে ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার এক লাখ ১৬হাজার আটশ’ ৯৪জন পুরুষ ও এক লাখ ১৩হাজার সাতশ’ নারী ভোটার ছিল। এর মধ্যে মোট ৭১ হাজার ১৬১ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। শতকরা হিসেবে যা ৩০.৮৬ ভাগ ভোট। তার মধ্যে বাতিল হয় ৪২২ টি ভোট। সঠিক হওয়া ৭০ হাজার ৭৪৯ ভোট গণনা করে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

এর আগে সকাল আট টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীন ভাবে চলে বিকেল চার টায় তা শেষ হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২ মে/২০১৬ ইং তারিখে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর ওই পদ থেকে ইস্তোফা দেয়ার কারণে পদটি শুন্য হয়। ফলে গত  ১ফেব্রুয়ারী/২০১৭ এ আসনে তফশিল ঘোষনা করেন নির্বাচন কমিশন। বেশীরভাগ কেন্দ্রই ঝুকিপূর্ন হওয়ায় নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে চার স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরী করা হযয়েছিল। কেন্দ্র গুলোতে অস্ত্রধারী আনসার, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির বিশেষ টহল থাকায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ