• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

ক্যান্সার চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

।। ডা. মুনতাসীর মারুফ ।। দীর্ঘমেয়াদি খুসখুসে কাশি বা ভাঙা কণ্ঠস্বর, সহজে সারছে না এমন ক্ষত, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ, স্তন বা শরীরের কোথাও পিণ্ড বা চাকার সৃষ্টি, গিলতে অসুবিধা বা হজমের গণ্ডগোল, মলমূত্র ত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তন, তিল বা আঁচিলের সুস্পষ্ট পরিবর্তন—এসব উপসর্গ ও লক্ষণ ক্যান্সারের বিপত্সংকেত। সাধারণত তিন পদ্ধতিতে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা হয়। শল্যচিকিৎসা বা সার্জারির মাধ্যমে টিউমারটি শরীর থেকে বের করে ফেলা হয়।

বিকিরণ চিকিৎসা পদ্ধতিতে ক্যান্সার কোষগুলোর ওপর রশ্মি প্রয়োগ করা হয়, যা চোখে দেখা যায় না, ধরাও যায় না। এই রশ্মি শুধু ক্যান্সার কোষগুলোকেই ধ্বংস করে। কেমোথেরাপি চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। এই পদ্ধতিতে ওষুধ একটি নিয়মিত সময়ের ব্যবধানে যেমন—২, ৩ বা ৪ সপ্তাহ পর পর প্রয়োগ করা হয়। ক্যান্সারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় বা রিস্ক ফ্যাক্টরগুলো এড়িয়ে চললে প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ ক্যান্সারের প্রাথমিক প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন জীবনাচরণের পরিবর্তন। যেমন—ধূমপান ও তামাক বর্জন, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, শারীরিক পরিশ্রম, অনিরাপদ শারীরিক মিলন এড়িয়ে চলা, হেপাটাইটিসের টিকা নেওয়া ইত্যাদি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ