পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি: বয়সের ভারে নিজে কোন রকমে হাটাচলা করতে পারে এবং গ্রামের সব চাইতে প্রবীন ব্যক্তি অধির চন্দ্র দাস এর একটিই প্রশ্ন(?) আামার আর কত বছর বয়স হলে বয়স্ক ভাতার মুখ দেখবো, সবার দ্বারে দ্বারে ধর্না দিয়েছি কিন্তু আজও আমার একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড মিলেনি, আর জীবদ্দশায় পাব কিনা এ নিয়েও সংশয়ে আছি। কথা গুলো বলছিল পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের পশ্চিম রামচন্দ্রপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের মৃত রামমোহন দাস এর পুত্র অধির চন্দ্র দাস। জাতীয় পরিচয় পত্রের হিসাব অনুযায়ী অধির চন্দ্র ১৯৩২ সালের মে মাসে জন্ম গ্রহন করেন, সে অনুযায়ী বর্তমানে বয়স তাঁর ৮৪ বছর ৯ মাস এবং উক্ত গ্রামের সব চাইতে প্রবীন ব্যক্তি নিজের কর্ম ক্ষমতা বলে আর কিছুই নেই বয়সের ভারে একেবারেই অচল। অধির চন্দ্রের অভিযোগ স্থানীয় মেম্বার কে একটি কার্ডের জন্য বহু বার বলেছেন কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারনে এই প্রবীন ব্যক্তিকে না দিয়ে সচল ব্যক্তিদের কার্ড দেওয়া হয়েছে কিন্তু আমার দিকে ফিরেও তাকাই নি কেউ। এ ব্যপারে ইউপি চেয়ারম্যন মোঃ নাজমুল হককে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান অধির চন্দ্রের ল্যান্ড প্রপ্রার্টি আছে কি না তা তদন্ত সাপেক্ষে পরের কোটায় তাঁর নামে কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একই অভিমত ব্যক্ত করে বলেন ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম, পরর্বতী বরাদ্দ এলে তার নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড দেওয়া হবে।