• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

সিলেটে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় হতাহতরাও সন্দেহের তালিকায়!

সিসি ডেস্ক: সিলেটে শনিবারের বোমা হামলার ঘটনা তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে। ওই ঘটনায় হতাহতদের সম্পর্কেও খোঁজখবর নিতে শুরু করেছে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এসএম রোকন উদ্দিন বলেন, ‘তদন্ত করে নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। নিহতদের স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সিলেটের বাইরের যে দুজন নিহত হয়েছেন, তাদের ব্যাপারেও অনুসন্ধান করা হচ্ছে। অনুসন্ধান শেষে তাদের লাশ হস্তান্তর করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আহতদের ব্যাপারেও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। পুরো বিষয়টি তদন্তের মধ্যে আছে। আমরা হামলাকারীদের সনাক্ত করার ব্যাপারে আশাবাদী।’

জঙ্গি আস্তানার অদূরে শনিবারের বোমা হামলার ঘটনায় নিহত হয়েছেন দুই পুলিশসহ ছয়জন। আহত হয়েছেন আরো অর্ধশতাধিক। হতাহত এসব ব্যক্তিদের কেউ কেউ রয়েছেন পুলিশের ‘সন্দেহের’ খাতায়। বোমা হামলার ঘটনার সাথে এদের কেউ জড়িত কিনা, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

গত শনিবার সন্ধ্যায় শিববাড়ি পাঠানপাড়া এলাকায় জঙ্গি আস্তানা আতিয়া মহলের সামান্য দূরে বোমা বিস্ফোরণে ছয় জন নিহত হন। ঘটনাস্থলেই মারা যান চার জন। বাকিরা ওসমানী হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

নিহতদের মধ্যে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নগরীর জালালাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম ও আদালতে পুলিশের পরিদর্শক চৌধুরী মো. আবু কায়সার। নিহতের মধ্যে মহানগর ছাত্রলীগ নেতা ওয়াহিদুল ইসলাম অপু ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা জান্নাতুল ফাহিম ছাড়াও নেত্রকোণার শহীদুল ইসলাম ও সুনামগঞ্জের ছাতকের দয়ারবাজার এলাকার কাদিম শাহ রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, শহীদুল ইসলাম ও কাদিম শাহ সিলেট নগরীর দাড়িয়াপাড়ায় প্রাইম লাইটিং এন্ড ডেকোরেটর্স নামক একটি প্রতিষ্ঠান চালাতেন।

হামলায় নিহত ছয় জনের মধ্যে ওসমানী হাসপাতাল থেকে পুলিশের অনুমতি সাপেক্ষে চার জনের লাশ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে বাকি দুজনের ব্যাপারে তদন্ত করছে পুলিশ। এ দুজন বোমা হামলার সাথে সম্পৃক্ত কিনা, সে বিষয়টি নিশ্চিত হতে চাইছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে, হামলায় আহত কয়েকজনকেও নজরদারি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। আর সে কারণেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সবার তথ্য সংগ্রহ করেছে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ