• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

উত্তরবঙ্গের ৫ নদী থেকে পানি নিতে বললেন মমতা

সিসি নিউজ: তিস্তায় পানি নেই। তাই সেই পানি নিয়ে চুক্তি হলে সমস্যা হতে পারে। একারণে তিস্তার বদলে তোর্সা, ধানসিঁড়ি, জলঢাকা, রায়ডাক কিংবা মানসিঁড়ি নদীর পানি নিতে পারে বাংলাদেশ। শনিবার রাতে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে এই বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মমতা বলেন, তিস্তায় তেমন পানি নেই। শুকনো মৌসুমে কখনও কখনও পানির প্রবাহ ১০০ কিউসেক হয়ে যায়। তাই এটা নিয়ে চুক্তি হলে ভবিষ্যতে সমস্যা হবে। তোর্সায় সারা বছর পানি থাকে। পানি নেওয়া যেতে পারে ধানসিঁড়ি নদী থেকেও। এ নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশ সরকার সমীক্ষা করুক। প্রয়োজনে আলোচনা হোক। এতে বাংলাদেশ সুবিধা পাবে। মমতা বলেন, সময় নিয়ে হলেও এই আলোচনায় ফল মিলতে পারে।
মানচিত্র থেকে দেখা যায়, তোর্সার উৎপত্তি চীনের তিব্বতের চুম্বি ভ্যালিতে। সেখানে সেটি মাচু নদী নামে পরিচিত। এরপর ভুটান হয়ে ৩৫৮ কিলোমিটার দীর্ঘ নদীটি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার হয়ে ঢুকেছে বাংলাদেশের উত্তরে। বাংলাদেশে নদীটি জলঢাকার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। জলঢাকা মিশেছে যমুনা নদীতে। তোর্সা তিস্তার প্রবাহ পথ থেকে বেশ কিছুটা উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। আর ধানসিঁড়ি আসামের মূল নদী। এর উৎপত্তি নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে। ৩৫২ কিলোমিটার প্রবাহ পথে আসাম হয়ে সেটি ব্রহ্মপুত্র নদীতে গিয়ে মিশেছে। রায়ডাক হচ্ছে জলঢাকার উপনদী। অত্যন্ত সংকীর্ণ এই নদীটি এসে জলঢাকায় মিশেছে। কিন্তু এগুলোর কোনোটি তিস্তার মতো প্রশস্ত নয়। এবং কোনো নদীতেই বাধ দেওয়া নেই। তাই এসব উন্মুক্ত নদীর পানি নিয়ে চুক্তি হলেও কিভাবে বেশি পানি আসবে তাও পরিষ্কার নয়। আর মমতা মানসিঁড়ি নদীর নাম বললেও সাংবাদিকরা মানচিত্র ঘেটে তার অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি।
এদিকে, তোর্সা বা ধানসিঁড়ি নদীর পানি নিয়ে চুক্তি বা বণ্টন হলে তাতে বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের সুবিধা হবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ