• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে স্মার্টফোন!

প্রযুক্তি ডেস্ক : স্মার্টফোন ব্যবহার করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি আবিষ্কারের দাবি করেছেন চীনের বিজ্ঞানীরা। ইঁদুরের ওপর জীববিদ্যা এবং প্রযুক্তি সংযোজনটি ব্যবহার এ সফলতার দাবি করেছেন  সাংহাইয়ের পূর্ব চীন নর্মাল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা।
ওয়াইমিং বিশ্ববিদ্যালয়ের আণবিক জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক মার্ক গোমেলসিকে বলেন, গবেষণাটি ছিল ‘রোমাঞ্চকর উপলব্ধি’।
এই পদ্ধটিটি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, স্মার্টফোন প্রাণীটির ভেতরে জীবিত কোষের ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ইঁদুরের রক্তের শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।
এ পদ্ধতি আবিষ্কারকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে একটি ‘নতুন যুগের’ সূচনা বলে দাবি করেছেন চীনা গবেষকরা
তাদের ভাষায়, এ পদ্ধতিটি প্রয়োগ করে তারা আশানুরূপ ফল পেয়েছেন।
এ পদ্ধতি ইনস্যুলিনের মতো স্বাভাবিক সেলে কাজ করে জিনতাত্ত্বিকভাবে ওষুধ তৈরি করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করবে। কিন্তু আলোতে এটা ভালো কাজ করে।
প্রযুক্তিটিকে ওপটোজেনেটিক (optogenetics) বলা হয় এবং লাল বাতির নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উদ্ঘাটিত হওয়ার সময় এ কোষগুলিতে  বাধা পায়।
তারপরই কোষগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে ওয়্যারলেস চালিত স্মার্টফোনের অ্যাপটি (অ্যাপ্লিকেশন) এলইডি লাইটটি কাজ করতে শুরু করে।
তারা দেখেছেন, টাচ স্ক্রিনের এ টুপিটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।
গবেষক দল বলছে, এটি প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যক্তিগতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এটি ডিজিটালাইজড করে বিশ্বায়নের একটি নতুন যুগের পথ তৈরি করা সম্ভব।
তবে রক্তের শর্করার মাত্রা জানতে বিজ্ঞানীদের প্রয়োজন হয়ে ক্ষুদ্র ড্রপ, যার মাধ্যমে তারা গণনা করতে পারবেন রোগ সারাতে কতটুকু ওষুধ প্রাণীটির প্রয়োজন। চূড়ান্ত পর্যায়ে এটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম, যা উভয় চিনি মাত্রা শনাক্ত করে এবং তারপর সঠিক পরিমাণে থেরাপিউটিক রাসায়নিকভাবে মুক্তি পায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ