• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত

অপারেশন ‘সান ডেভিল’ শুক্রবার

সিসি নিউজ: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বেনীপুরে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ বৃহস্পতিবার রাতের জন্য অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে অভিযান আবার শুরু হবে। এ অভিযানের নাম দেয়া হয়েছে অপারেশন ‘সান ডেভিল’।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক মাসুদুর রহমান ভুঁইয়া সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন।

তিনি বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ শাখার বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল সন্ধ্যার পর ঘটনাস্থলে এসেছে। তাদের পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় রাতের জন্য অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার সূর্যদয়ের পর এ অভিযান আবার শুরু হবে।

উপ-মহাপরিদর্শক আরও বলেন, বুধবার রাত ১টার দিকে পুলিশ বাড়িটি ঘিরে ফেলে। এরপর ভেতরের জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু এতে তারা সাড়া দেয়নি। সকালে জঙ্গিরা বের হয়ে নিজেদের কাছে রাখা বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এভাবে আত্মঘাতি হয়ে পাঁচ জঙ্গি মারা যায়। আর তাদের বোমার স্প্রিন্টারের আঘাতে মৃত্যু হয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মী আবদুল মতিনের।

পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের দেয়া তথ্য মতে, জঙ্গি আস্তানায় নিহতরা হলো- বাড়ির মালিক সাজ্জাদ হোসেন (৫০), তার স্ত্রী বেলী আক্তার (৪৫), তাদের ছেলে আল-আমিন (২০), মেয়ে কারিমা খাতুন (১৭) ও অপর এক বহিরাগত জঙ্গি (২৫)।

পুলিশ ধারণা করছে, বহিরাগত জঙ্গির নাম আশরাফুল। সে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবীনগর এলাকার বাসিন্দা। সে বড় ধরনের একজন জঙ্গি বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে নিহত জঙ্গি আশরাফুলকে দিনভর জঙ্গি সাজ্জাদের ছেলে সোয়েব হিসেবেই ধারণা করা হচ্ছিল। জঙ্গি আস্তানা থেকে আত্মসমর্পণ করা নারী সাজাদ্দের মেয়ে সুমাইয়া খাতুন জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছে, নিহত ওই জঙ্গি আসলে আশরাফুল। অভিযানের সময় তার ভাই সোয়েব বাড়িতে ছিল না।

রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুঁঞা জানান, জঙ্গি আস্তানার চারপাশে চারপাশে ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। নিহত পাঁচ জঙ্গির লাশও বাড়ির পাশে ধানখেতে পড়ে আছে। শুক্রবার সকালে লাশগুলো উদ্ধার করা হতে পারে।

গোদাগাড়ী থানার ওসি হিপজুর আলম মুন্সি জানান, জঙ্গি আস্তানা থেকে আত্মসমর্পণ করা সুমাইয়া খাতুনকে থানায় রাখা হয়েছে। আস্তানা থেকে উদ্ধার হওয়া তার দুই শিশু সন্তানও পুলিশের হেফাজতে আছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে পুলিশ ছাড়া অন্য কোনো বাহিনী যোগ দেয়নি বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ