• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

স্বীকার করেছে ধর্ষণের কথা, অস্ত্র-ভিডিওর কথা অস্বীকার

সিসি নিউজ: বনানীর দুই তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফ রিমান্ডের প্রথম দিনে (শনিবার) ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেও অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের কথা অস্বীকার করেছে।

শনিবার সকাল থেকে সাফাত ও সাদমানকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে তদন্ত সংস্থা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের কর্মকর্তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) ইসমত আরা এমি।

সাফাত স্বীকার করেছেন, তিনি ভাবেননি এই ঘটনা এতদূর গড়াবে। কারণ এর আগেও তিনি ওই হোটেল মদ-নারীর আসর বসাতেন। অর্থের বিনিময়ে মেয়েদের নিয়ে রাত কাটাতেন। আর এ সবকিছুকেই তিনি শুধুমাত্র দেখতেন বিনোদন হিসেবেই। জিজ্ঞাসাবাদে সাফাত গুলশান-বনানী এলাকায় তার মত এরকম অনেক তরুনের কাহিনীও জানিয়েছেন হোয়েন্দাদের।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, সাফাত ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেও অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণের কথা অস্বীকার করেছেন। এমনকি ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও করার কথা অস্বীকার করেছেন।

গত ২৮ মার্চ বনানীর দ্য রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণ করে অস্ত্রের মুখে রাতভর আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে। এ ঘটনায় গত ৬ মে বনানী থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন ঘটনার শিকার ওই ছাত্রীরা। মামলার পাঁচ আসামি হলেন— সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ। ঘটনার ৪৪ এবং মামলার ৬ষ্ঠ দিনে গত বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় দুই আসামিকে। গত শুক্রবার সাফাতকে ছয় দিনের ও সাদমানকে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। তবে এখনো অধরা আছে ৩ জন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ