• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার মামলা

সিসি নিউজ: সুইস ব্যাংকে ৯৬ হাজার কোটি টাকা অস্বচ্ছ হিসাব দাখিল এবং বিলাসবহুল গাড়িতে দুই কোটি ১৭ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে বিতর্কিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার গুলশান থানায় অর্থ পাচার প্রতিরোধ (মানি লন্ডারিং) আইনে এ মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এ মামলার বাদী শুল্ক গোয়েন্দা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) মো. জাকির হোসেন।

গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২১ মার্চ মুসা বিন শমসেরের ব্যবহার করা বিলাসবহুল একটি গাড়ি আটক করে শুল্ক গোয়েন্দাদের একটি দল। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কালো রেঞ্জ রোভার গাড়িটি কেনা হয়। অনুসন্ধানে মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা কালো রেঞ্জ রোভার মডেলের একটি গাড়ি ভোলা বিআরটিএর কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে ভুয়া কাগজ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন এবং বেনামে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দারা।

মুসা বিন শমসের ১৭ লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ দেখিয়ে ভুয়া বিল অব এন্ট্রি প্রদর্শন করে গাড়িটি বেনামে নিবন্ধন করেন। কিন্তু শুল্ক গোয়েন্দারা অনুসন্ধানে দেখতে পান, এ গাড়িতে দুই কোটি ১৭ লাখ টাকার শুল্ক কর জড়িত। গাড়িটি পাবনার ফারুকুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রেশন নেয়া হয়।

এ ঘটনায় শুল্ক গোয়েন্দারা ঢাকা কাস্টম হাউসে শুল্ক ফাঁকির মামলা করেছিলেন। অন্যদিকে, রেজিস্ট্রেশন-প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির সংযোগ থাকায় তা পৃথকভাবে তদন্তের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) অনুরোধ করা হয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দার জিজ্ঞাসাবাদে মুসা বিন শমসের লিখিতভাবে জানান, সুইস ব্যাংকে তাঁর ৯৬ হাজার কোটি টাকা জমা আছে। কিন্তু তিনি এ টাকার কোনো ব্যাংক হিসাব বা বৈধ উৎস দেখাননি। কয়েকবার নোটিশ দিলেও তিনি তা জমা দেননি বলে জানান শুল্ক গোয়েন্দারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ