• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

বগুড়ায় নির্যাতিত মা-মেয়ে রাজশাহীতে

বগুড়া: বগুড়ায় নির্যাতনের শিকার মা-মেয়েকে রাজশাহীতে আনা হয়েছে। এরপর নির্যাতিত ওই কিশোরীকে পবা উপজেলার বায়ায় অবস্থিত সরকারি সেইফ হোমে রাখা হয়েছে। আর তার মাকে রাখা হয়েছে রাজশাহী শহরের আরেকটি সরকারি ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে।

সেইফ হোমের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট রেখসানা খাতুন জানান, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বগুড়া সদর থানার এসআই আসলাম সরকারের তত্ত্বাবধানে নির্যাতিত ওই কিশোরীকে সেইফ হোমে আনা হয়। সে এখন থেকে এখানেই থাকবে।

এদিকে, রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম জানান, ওই কিশোরীর মাকে নগরীর শাহমখদুম থানা চত্বরে অবস্থিত ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। বাইরে নিরাপদ মনে না করা পর্যন্ত তিনি এখানেই থাকবেন। মামলার প্রয়োজনে তাদের বগুড়া নিতে হলে পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিয়েই নিয়ে যাবে।

তিনি আরও জানান, আদালতের সিদ্ধান্তেই মা-মেয়েকে আলাদা রাখা হয়েছে। তবে তাদের ভালো থাকার জায়গা ও উন্নত খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজন হলে তাদের উন্নত চিকিৎসারও ব্যবস্থা করা হবে।

এর আগে সোমবার দুপুরে বগুড়ার শিশু আদালতের বিচারক এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ইমদাদুল হক মেয়েকে রাজশাহীর সেইফ হোম এবং তার মাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে মঙ্গলবার পুলিশ তাদের নিজস্ব গাড়িতে করেই রাজশাহী নিয়ে আসে।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ জুলাই কলেজে ভর্তির বিষয়ে সাহায্যের নাম করে বগুড়া শ্রমিক লীগের নেতা তুফান সরকার ভিকটিমকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠেন। পরে এ ঘটনার বিচারের নামে মা-মেয়েকে ডাকা হন। সেখানে ওই ঘটনার জন্য উল্টো মা-মেয়ের ওপরেই দোষ চাপানো হয়।

এ সময় তাদের মাথা ন্যাড়া করে দেয়া হয়। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ সব আসামিকেই গ্রেপ্তার করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ