• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সংসদ নির্বাচনে সহায়ক সরকার ও সেনাবাহিনী চায় বাংলাদেশ ন্যাপ

ঢাকা: রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ধারাবাহিক সংলাপের অংশ হিসেবে সোমবার ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপের সংলাপ হয়েছে।

এতে ন্যাপ নেতৃবৃন্দ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা, তফসিল ঘোষণার ‍আগেই সংসদ বিলুপ্ত করা ও বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েনসহ ২১ দফা প্রস্তাব দিয়েছে।

সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় এসব দাবি তুলে ধরে দলটি।

সভায় বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানির নেতৃত্বে মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়াসহ ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় দলের নেতারা জানান, দলটি মনে করে কোনো দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। আর একটি সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় আরেকটি সংসদ নির্বাচন হলে সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করা কঠিন। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা, তফসিল ঘোষণার ‍আগেই সংসদ বিলুপ্ত করা ও সেনাবাহিনী মোতায়েনসহ ২১ দফা প্রস্তাব বাস্তবায়ন করতে হবে কমিশনকে।

এছাড়া নির্বাচনে অবৈধ অর্থ, কালো টাকা ও পেশি শক্তি ব্যবহার কঠিনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, নিরপেক্ষ স্থানে ভোটকেন্দ্র্র স্থাপন করা, ভোটার ও প্রার্থীর এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ভোটকেন্দ্রে ভোট গণনা শেষে প্রার্থীদের এজেন্টদের স্বাক্ষরসহ ভোটকেন্দ্রের ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অন্তত এক বছর আগে থেকেই সব দলের লেভেল প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে, না ভোটের বিধান সংযুক্ত করা, আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ও জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে সংসদীয় আসন নির্ধারণ করতে হবে। অন্যথা কোনোমতেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলেও মত দেন ন্যাপ নেতৃবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ