নীলফামারী প্রতিনিধি: বাল্য বিবাহ নিরোধকল্পে অ্যাডভোকেসি ও মোবিলাইজেশন বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা রবিবার নীলফামারীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইউনিসেফ বাংলাদেশের লোকাল ক্যাপাসিটি বিল্ডিং এ্যান্ড কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট(এলসিবিসিই) প্রকল্পের আয়োজনে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কমি অতিরিক্ত কমিশনার(সার্বিক) মিনু শীল।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুল মোতালেব সরকার’র সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মুজিবুর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিদুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য ইউনিসেফ রংপুর অফিসের চাইল্ড প্রটেকশন অফিসার জেসমিন হোসেন ও বাল্য বিবাহের চিত্র উপস্থাপন করেন একই সংস্থার চাইল্ড প্রটেকশন স্পেশালিস্ট ভেদপ্রকাশ গৌতম।
কর্মশালায় জানানো হয় অন্যান্য জেলার চেয়ে নীলফামারী জেলায় বাল্য বিবাহের হার অনেক বেশি। প্রায় ৮৩জন শিশুর বিয়ে হচ্ছে প্রতি ১শ জনের মধ্যে। ২০১৩ সালের হিসেবে ১৫ বছরের নিচে মেয়েদের বিয়ে হার কমলেও ১৫-১৮বছর বয়সী মেয়েদের বিয়ে হচ্ছে শতকরা ৫২জনের। যা ভয়াবহ। আর কিশোরী বয়সে গর্ভবতি হচ্ছে শতকরা ৩১জন শিশু।
জেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সরকারী কর্মকর্তা ছাড়াও সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, এনজিও, নিকাহ রেজিস্ট্রারসহ ৫০জন অংশ গ্রহণ করেন।
বাল্য বিয়ের কুফল তুলে ধরে সব স্তর থেকে সচেতনতা বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(সার্বিক) মিনু শীল। তিনি জানান, শুধু আইন দিয়ে সম্ভব নয়, সম্মিলিত ভাবে বাল্য বিয়ে তথা শিশু বিয়ে রোধ করতে হবে কারণ শিশু বিয়ে হলেই মেয়েটির ঝড়ে পড়লো সম্ভাবনাময় জীবন থেকে।