সিসি ডেস্ক: রাজধানীর ২৪টি সরকারি স্কুলের ৫২২ জন শিক্ষককে এ জন্য বদলির সুপারিশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল তদন্ত শেষে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করে।
দুদকের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষকদের বদলি না করার পেছনে রাজনৈতিক চাপ, তদ্বির ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেন রয়েছে। কিছু শিক্ষক কোচিং বা প্রাইভেটবাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অনৈতিক সুবিধা দিয়ে বছরের পর বছর ঢাকার একই বিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন।
এদের মধ্যে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের ৩২ জন, মোহাম্মদপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৬ জন, ধানমণ্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ হাইস্কুলের ১৭ জন, মতিঝিল সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৪ জন, শেরেবাংলা সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৭ জন, সরকারী বিজ্ঞান কলেজ সংযুক্ত হাইস্কুলের ২৫ জন, খিলগাঁও সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩১ জন, তেজগাঁও সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২১ জন, গণভবন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৪ জন, মিরপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯ জন, নবাবপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯ জন, নারিন্দা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩১ জন, ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের ২৯ জন, আরমানিটোলা সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২১ জন, ঢাকা গবর্নমেন্ট মুসলিম হাইস্কুলের ৯ জন, ইসলামিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ জন, মতিঝিল সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩২ জন, বাংলাবাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২২ জন, টিকাটুলী কামরুন্নেছা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০ জন, তেজগাঁও সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৮ জন, শেরেবাংলা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৪ জন, ধানমণ্ডি কামরুন্নেছা সরকারী বিদ্যালয়ের ৭ জন, ধানমণ্ডি সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ জন ও নিউ গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুলের ৭ জন।
গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ঢাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি বাণিজ্য, কোচিং বাণিজ্য ও নিয়োগ বাণিজ্যের নামে কোটি টাকা আত্মসাতের একটি অভিযোগ তদন্ত শুরু করে দুদক। দুদকের পরিচালক মীর মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন শিবলির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের দল তদন্ত শেষে আজ বুধবার কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করে।