• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পাওয়া যায়নি খালেদা জিয়ার রায়ের অনুলিপি

ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি রোববারও পাওয়া যায়নি। এ অনুলিপি আগামীকাল সোমবার পাওয়া যেতে পারে বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে।

আজ রবিবার খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া রায়ের অনুলিপির বিষয়ে আদালতে শুনানি করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান সোমবার রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি দেওয়ার আশ্বাস দেন। সানাউল্লাহ মিয়া রোববার বিকেলেই অনুলিপি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু আইনজীবীর অনুরোধের জবাব দেননি বিচারক।

আদালত থেকে বের হয়ে সানাউল্লাহ মিয়া রবিবার বিকেলে বলেন, রায়ের কপি চেয়ে আমরা আদালতে শুনানি করেছি। রোববার বিকেলেই রায়ের সত্যায়িত কপি দেওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন বিচারক।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার মোকাররম হোসেন বলেন, শুনানিতে অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া রোববার বিকেলেই রায়ের সত্যায়িত কপি দেওয়ার জন্য বিচারককে অনুরোধ করেন। কিন্তু বিচারক তাদের সোমবার রায়ের কপি দেওয়ার আশ্বাস দেন।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের মামলায় ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন। রায়ে খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ড হয় এবং তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। রায় ঘোষণার পর ওই দিনই খালেদা জিয়ার পক্ষে রায়ের অনুলিপি চেয়ে আবেদন করা হয়। এরপর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুলিপির জন্য ৩ হাজার পৃষ্ঠার কোর্টফোলিও আদালতে দাখিল করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

মামলাটিতে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৫ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া আসামিদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডিত অপর চার আসামি হলেন কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। দণ্ডিতদের মধ্যে তারেক রহমান, কামাল সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ