সিসি নিউজ: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে মিয়ানমার। এঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদলিপি পাঠিয়ে পতাকা বৈঠক ডেকেছে বিজিবি। সীমান্ত এলাকায় সতর্ক পাহারা বাড়ানো হয়েছে। রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত যাওয়া ঠেকাতে সীমান্তে মিয়ানমার অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। এদিকে, মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে সীমান্তে সেনা সমাবেশের প্রতিবাদ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নেয়াকে ঘিরে অনেক দিন ধরেই উত্তেজনা চলছিল নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে। মাইকিং করে শুন্য রেখায় থাকা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে যাওয়ার আদেশ দিচ্ছিল মিয়ানমার সেনারা। বুধবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে হঠাৎ করেই সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে ভারি অস্ত্র নিয়ে সমাবেশ বাড়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। শুন্যরেখার আশেপাশে এমন পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ হওয়ায় সতর্কতা বাড়ায় বিজিবিও।
বৃহস্পতিবার (১ মার্চ) বিকেলে পিলখানা সদরদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এরইমধ্যে মিয়ানমার সাথে আলোচনার জন্য পতাকা বৈঠক ডেকেছে বিজিবি।
তবে পতাকা বৈঠকের আহ্বানে মিয়ানমার এখনো সাড়া দেয়নি বলে জানিয়েছে বিজিবি। সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বিজিবির এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শূন্য রেখায় অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়া আটকাতেই মিয়ানমারের এ সেনা মোতায়েন।
এদিকে, নো ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান রোহিঙ্গারা রয়েছেন আতঙ্কে। সেনা হুমকি এবং অস্ত্র প্রদর্শনের ভয়ে, এরই মধ্যে পালিয়ে এসে উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে ৩ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা।