• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন |

৪৭ আরোহী নিয়ে মাঝ সমুদ্রে বিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মাইক্রোনেশিয়ার চুক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি একটি অগভীর লবণাক্ত জলের হ্রদে অবতরণ করলো বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমান। এ ঘটনায় বিমানের যাত্রীদের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, পাপুয়া নিউ গিনির মালিকানাধীন এয়ার নিউগিনির বিমানটি উপকূল থেকে কিছুটা দূরে হ্রদে অর্ধনিমজ্জিত অবস্থায় থেমে আছে।

ছবিতে আরো দেখা যায়, বিমানের যাত্রীদের ছোট নৌকায় করে উদ্ধার করা হচ্ছে।

শুক্রবার বিমানটি মাইক্রোনেশিয়ার পনপেই দ্বীপ থেকে পাপুয়া নিউ গিনির রাজধানী পোর্ট মোরেসবি যাচ্ছিল। পথিমধ্যে মাইক্রোনেশিয়ার উইনো দ্বীপে থামে। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিমানটিতে ৩৬ যাত্রী ও ১১ জন ক্রু ছিলেন। প্রত্যেককেই ছোট নৌকায় করে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। যাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তবে কেউ গুরুতর আঘাত পাননি।

বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা ছিল বিমানটির। কিন্তু আচমকাই নামতে শুরু করে মাঝ সমুদ্রে। যাত্রীরাও বুঝতে পারছিলেন না ঠিক কী হতে চলেছে। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ডুবতে শুরু করে বিমান। তবে অল্পের জন্য শেষরক্ষা পেলেন বিমানের আরোহীরা।

ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, অবতরণকালে বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে।

এ ঘটনায় পাপুয়া নিউ গিনির বিমান উড্ডয়ন কর্তৃপক্ষের একটি তদন্তকারী দল মাইক্রোনেশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

মাইক্রোনেশিয়ার ওয়েনোর চুক বিমানবন্দরের মহাব্যবস্থাপক জিমি ইমিলিও বলেন, বিমানবন্দরের এক রানওয়েতে নামার কথা ছিল বিমানটির। কিন্তু তার পরিবর্তে এটি সাগরে নেমে যায়।

এয়ার নিউগিনির তরফ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আবহাওয়া খুবই খারাপ ছিল। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এক যাত্রী জানিয়েছেন, বিমানের একটি ছিদ্র দিয়ে পানি ঢুকতে শুরু করেছিল। উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর আগে কোমর পর্যন্ত পানি জমে গিয়েছিল কেবিনের মধ্যে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ