• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামানত হারালেন তিন প্রার্থী নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত

স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সানি লিওন

বিনোদন ডেস্ক ।। নীল দুনিয়া কাঁপিয়ে বলিউডে আসার পর অভিনয়ের পাশাপাশি ডান্স আর সমানতালে ব্যবসা করে যাচ্ছেন সানি লিওন। এছাড়া সমাজকল্যাণমূলক কাজকর্মের সঙ্গেও যুক্ত আছেন তিনি। স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারকেও পাশে দেখা যায় তার।

এবার স্বামীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাচ্চাদের জন্য স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সানি লিওন। যদিও বর্তমানে নিজের সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত তিনি। এরই মধ্যে ঠিক করেছেন যে, ছোটদের জন্য বিশেষ আর্ট স্কুল খুলবেন। মুম্বাইয়ের নামকরা বাচ্চাদের আর্ট স্কুল ‘ডিআর্ট ফিউশন’-এর একটি নতুন শাখা খুলতে যাচ্ছেন তিনি।

সানি লিওনির ঘনিষ্ঠ একজন জানিয়েছেন, সানি বরাবরই বাচ্চাদের খুব ভালোবাসে। নিজেও তো তিন ছেলেমেয়ের মা, তাই সে জানে যে একজন শিশুর বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রথম কয়েক বছর কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এই স্কুলের জন্য অনেকটা পরিশ্রম করছে সানি। স্কুলের ইন্টিরিয়র, সুযোগসুবিধা থেকে শুরু করে সবকিছুই নিজে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সানি ও ড্যানিয়েলের স্বপ্নের প্রজেক্ট হতে চলেছে এই স্কুল।

জানা গেছে, নতুন এই স্কুলটি কেবল আর্ট স্কুল নয়, বাচ্চাদের খেলার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে সেখানে। যেন খেলাচ্ছলেই বাচ্চারা শিখতে পারে, সেটাই মূল লক্ষ্য। ডিআর্ট ফিউশনের একটি শাখার ছাত্রী সানি ও ড্যানিয়েলের মেয়ে নিশা। তার মাধ্যমেই সানি ও ড্যানিয়েল ওই স্কুলের বিষয়ে জানতে পারেন ও স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সঞ্জনা আশের কামদারের সঙ্গে পরিচিত হন।

মেয়ের মুখে ওই স্কুলের অনেক প্রশংসা শুনে সানি ও ড্যানিয়েল মিলে ওই স্কুলের একটি নতুন শাখা খোলার সিদ্ধান্ত নেন। এ ব্যাপারে সানি বলেন, আমাদের ভিশন হলো সৃষ্টিশীলতার সঙ্গে অবসরকে মিলিয়ে দেওয়া। যাতে বাচ্চাদের মাথা ও শরীরের সামগ্রিক বিকাশ হয়। বাচ্চাদের বইয়ের মধ্যে আটকে রাখতে আমরা চাই না। আমি চাই শেখার পাশাপাশি বাচ্চারা যেন মজাও করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ