• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৩ জুলাই ।। জেলার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সম্প্রতি এক শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার উপজেলার কণিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গতকাল মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। এদিকে গ্রেপ্তার হওয়া ওই শিক্ষক থানায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ঘটনাটিকে ‘পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক’ আখ্যায়িত করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রতনপুর গ্রামের শেখের পাড়ার কাজী আসাদ হোসেনের ছেলে কাজী মুরাদ হোসেন উপজেলার কণিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ইংরেজী শিক্ষক’ হিসেবে গত জানুয়ারি মাস থেকে কর্মরত রয়েছেন। এই শিক্ষকের কাছেই বাদীর মৃত ভাইয়ের মেয়ে কণিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়েরই নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী গত দুই মাস ধরে প্রাইভেট পড়তো। এর সূত্র ধরেই দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ঘটনার দিন গত সোমবার রাতে অভিযুক্ত শিক্ষক মুরাদ ওই ছাত্রীকে উপজেলা সদরের হাসপাতাল পাড়ায় তার ভাড়া করা বাসায় ডেকে এনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে ওই ছাত্রীর আত্মীয়-স্বজনরা ওই শিক্ষককে ধরে মঙ্গলবার সকালে নবীনগর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

পরে ছাত্রীর চাচা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে নবীনগর থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে কোর্টে চালান করে।

এ বিষয়ে নবীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজু আহমেদ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারী পরীক্ষা ও জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীকেও আদালতে পাঠানো হয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ