• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন |

তিস্তার পানি বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপরে

সিসি নিউজ, ২৫ জুলাই ।। বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ৯টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার (৫৩ দশমিক ০৫) উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় ও ৯টায় বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। ১২টায় বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার, বিকাল ৩টায় ৩৫ সেন্টিমিটার ও সন্ধ‌্যা ৬টায় ৪২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রাবাহিত হচ্ছিল।
পাশাপাশি উজানের ঢলে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে বলে তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পুর্বাভাস ও সর্তকীকরন কেন্দ্র সুত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ভারী বৃষ্টিপাতে ও উজানের ঢলে তিস্তায় দ্বিতীয় দফায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এর আগে গত ১১ জুলাই তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে ও ১৩ জুলাই সেটা সর্বোচ্চ ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে ওঠে। যা বিগত ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রেখে সতর্কাবস্থায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে।

এদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা অববাহিকার জেলার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ৩০ হাজার মানুষ পুনরায় বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছে। তারা জানায় তিস্তা নদীর বৃদ্ধির কারনে পুনরায় জেলার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের নদী বেস্টিত চরগ্রাম ও নিচু এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করেছে। দ্বিতীয় দফায় বন্যা শুরু হলে আরো ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উজানের পানি চাপে ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চরখড়িবাড়ি এলাকায় স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত দুই কিলোমিটার দীর্ঘ বালির বাঁধের নতুন করে আরো দুইশত মিটার নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। এর আগে ওই বাঁধের চারশত মিটার নদী গর্ভে বিলিন হয় বলে জানান টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ