• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

সৈয়দপুরে স্বল্প জনবল নিয়ে চলছে রেলওয়ের বেতন প্রদান কার্যক্রম

সিসি নিউজ ।। ২৬টি পদের বিপরীতে মাত্র ৬ জনবল নিয়ে করোনা আতংকের মাঝেও পুরোদমে চলছে সৈয়দপুর রেলওয়ের বেতন প্রদান কার্যক্রম। বিভাগীয় বেতন ব্যবস্থাপকের দক্ষ নেতৃত্ব ও বেতনভোগীদের সচেতনতায় এটি সম্ভব হয়েছে। তবে দপ্তরটির কার্যক্রম গতিশীল রাখতে অবিলম্বে শুণ্যপদে জনবল নিয়োগ জরুরী বলে অভিমত সংশ্লিষ্টদের।
জানা গেছে, প্রতি মাসের ১ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়েতে কর্মরতদের পর্যায়ক্রমে বেতন প্রদান করে থাকে বিভাগীয় বেতন ব্যবস্থাপকের কার্যালয়, সৈয়দপুর। দেশের সর্ববৃহৎ সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা, পার্শ্ববর্তী রংপুর, পার্বতীপুর, নীলফামারী, জয়পুরহাটসহ বিভিন্ন স্থানে রেলওয়েতে কর্মরত প্রায় ৩৮০০জন পেনশনার ও প্রায় ২ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী বেতন উত্তোলন করেন সৈয়দপুর হতে। কিন্তু কাঙ্খিত জনবল না থাকায় বেতন প্রদান কার্যক্রমের বিড়ম্বনা নিয়ে বরাবরাই অভিযোগ ছিল ভুক্তভোগীদের। তবে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারী বিভাগীয় বেতন ব্যবস্থাপক হিসেবে মোঃ রেজা হাসান (এসআরএএস) যোগদান করার পর পাল্টে গেছে ওই দপ্তরের চিরাচরিত কর্মপন্থা।
নবাগত ডিপিএম যোগদানের পরই শুরু করেন শুদ্ধি অভিযান। দপ্তরের আঙ্গিনায় জন্ম নেয়া বুক সমান আগাছা পরিস্কার, পেনশনারদের জন্য বসার ব্যবস্থা, মানসম্মত টয়লেটের ব্যবস্থা, সচেতনতামূলক ফেষ্টুন-ব্যানার স্থাপন, দপ্তরকে শতভাগ ধুমপানমুক্ত ঘোষণা এবং বেতন কার্যক্রমকে গতিশীল করতে বেশ কিছু উদ্যোগ নেন। সম্প্রতি দেশে করোনা প্রাদূর্ভাব দেখা দেয়ায় তিনি দপ্তরে হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধোয়া, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বেতন গ্রহণ ও আগন্তুকদের করোনা সম্পর্কে সচেতনত হতে বেশ ভূমিকা রাখেন। তবে তিনি বলেন, বিভাগীয় বেতন ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের এ পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে এফএএন্ডসিএও/পশ্চিম/রাজশাহী, ম্যানেজার/পেএন্ডক্যাশ/রাজশাহী ও ডেপুটি এফএএন্ডসিএও/কারখানা/সৈয়দপুর প্রদীপ কুমার স্যারের কারণে। তাদের অব্যাহত সহযোগিতা থাকলে কমসংখ্যক জনবল নিয়েও অল্পদিনেই সকলের আস্থা অর্জন করবে এ দপ্তরটি।
জনবল প্রসঙ্গে ডিপিএম রেজা হাসান বলেন, সৈয়দপুর দপ্তরে সৃষ্টপদ ২৫টি। এর মধ্যে ডিপিএম ১জন, পে-সহকারী ৭জন, অডিটর ২ জন, জুনিয়র অডিটর ৩জন, এলডি ১জন, অফিস সহায়ক ৯জন, ম্যাসেঞ্জার ১জন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী ১জন। কিন্তু কর্মরত আছে মাত্র ৬জন। এ পদগুলোর মধ্যে ডিপিএম ১জন, পে-সহকারী ২জন, অডিটর ১জন ও অফিস সহায়ক ২জন। শুন্যপদে জনবল দেয়া হলে বেতন ও পেনশনভোগীদের অর্থ উত্তোলনে কোন বিড়ম্বনাই থাকবে না বলে তিনি দাবী করেন।
ওই দপ্তরের এক কর্মচারী বলেন, রেজা স্যার যোগদানের পর থেকেই অফিসের চেহারা পাল্টে গেছে। আমাদের নতুন পোশাক দেয়া হয়েছে অফিস থেকে। কাজের চাপ থাকলে তিনি আমাদের জন্য অফিসে খাওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে কাজ শেষ করেন।
পেনশন তুলতে আসা ষাটোর্দ্ধ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, বর্তমান ডিপিএম সবকিছু নিজেই তদারকি করছেন ফলে দালাল ও সুদখোরদের আনাগোনা কমে গেছে। আর পেনশন তুলতে কোন ঝামেলাও হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ