ইদানিং সৈয়দপুর শহরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু লোক করোনা সন্দেহে মৃত্যুবরণ করার পরও তার পরিবারবর্গ মৃত্যুর কথা বাহিরে প্রচার না করে গোপনে দাফন কাফন সম্পন্ন করছে। এছাড়া হৃদরোগ ও অন্যান্য রোগে মারা গেলেও পরীক্ষা ছাড়া বলা যায় না রোগী করোনা আক্রান্ত ছিল কিনা। ইহাতে যদি মৃত ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে পরিবারবর্গসহ অন্যান্য সদস্যের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায় এবং তাদের মাধ্যমে অন্যান্য জনগোষ্ঠির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা থেকে যায়। যেহেতু করোনা একটি ছোঁয়াচে রোগ এবং মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে এবং করোনা কোন অভিশাপ নয়, সেহেতু প্রতিটি মৃত. ব্যক্তির ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করে যথাযথ ভাবে নমুনা পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন-কাফন সম্পন্ন করা উচিৎ। এছাড়া টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে জ্বর, শারীরিক দুর্বলতা, খাদ্যে অরুচি ও স্বাদ না পাওয়া ইত্যাদি সমস্যাজনিত প্রচুর রোগী সেবা নিচ্ছেন এবং সৈয়দপুর তথা নীলফামারী জেলাকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে ইহাতে অনুমান করা যায় সৈয়দপুর শহরে করোনা রোগী ব্যাপকতা বিস্তার লাভ করছে যাহা হয়তো পর্যাপ্ত পরীক্ষার অভাবে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন সৈয়দপুর শাখা ও স্বাচিপ সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা শাখা নি¤েœাক্ত বিষয়গুলোর প্রতি সবাইকে দৃষ্টি দিতে জোর দাবি জানাচ্ছে।
১। প্রতিটি সন্দেহভাজন মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন অবশ্যই নমুনা সংগ্রহ করে স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করবে এবং পরিবারবর্গের ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করবে।
২। সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে সকল জ্বর, কাশি অথবা করোনা সন্দেহ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া।
৩। সৈয়দপুর শহরের সকল ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক সমূহকে প্যাথলজি পরীক্ষার ক্ষেত্রে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা এবং এ সময়ে বহিরাগত কোন চিকিৎসককে দিয়ে রোগী দেখার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা। খবর বিজ্ঞপ্তির