• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

সৈয়দপুরে ভূমি দালালদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সেবাপ্রার্থীরা

রেজা মাহমুদ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে দালালদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সেবাপ্রার্থী ভূমি ক্রেতা-বিক্রেতারা। মালিকানা সমস্যা থাকা সত্বেও জাল কাগজপত্র তৈরী করে জমি বেচাঁ-বিক্রি করা হচ্ছে। এমনকি একই জমি একাধিক ব্যক্তিকে দলিল করে দেয়া হচ্ছে । ভূমি অফিসে রয়েছে তাদের ব্যপক প্রভাব । খতিয়ান, খাজনা পরিশোধ, মিসকেস, খাস পুকুর ইজারা, হেয়ারিং ইত্যাদি এ দালালরা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দপুর উপজেলায় ৫ শতাধিক ভূমি দালাল রয়েছে। জমি ক্রয়-বিক্রিয়ের বিষয়টি মূলত তারাই নিয়ন্ত্রণ করছে । এসব দালালরা মূল্য বাড়িয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কাগজপত্র টেম্পারিং করে জমির ভূয়া মালিক দেখিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমেও টাকা হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে সারা জীবনের জমানো টাকা দিয়ে জমি কিনে অনেকেই নি:স্ব হয়ে পড়ছে।

কাশিরাম বেল পুকুর ইউনিয়নের ভূক্তভোগী সুলতান মাহমুদ বলেন, দালালের মাধ্যমে সঞ্চয়ের টাকায় শহরের বঙ্গবন্ধু সড়ক সংলগ্ন পিডিবি অফিসের বিপরীতে ৫ শতক জমি ১২ লাখ টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রি করি। সম্প্রতি প্রকৃত মালিকানা দাবী করে ওই জমিটি অন্য একজন দখল করে নিয়েছ্। আমি এখন কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা। অন্যদিকে এলাকার কিছু টাউট বাটপার এ ভূমি অফিসকেই একমাত্র রুজি রোজগারের মাধ্যম হিসেবেই বেছে নিয়েছে। উপজেলার ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দালাল না ধরে সরাসরি কোন সেবা প্রার্থী অফিসে গেলে সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে নানা ভোগান্তি। ব্যয় করতে হয় মূল্যবান সময়। এ কারণে কাজ উদ্ধারের স্বার্থে সাধারণ মানুষ দালালদের হাত ধরে ভূমি অফিসে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। আর এরই মাধ্যমে ধীরে-ধীরে ডালপালা বেড়েছে দালালদের। ঘুষ-বাণিজ্যের বিষয়ে সবারই জানা তারপরও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না। দালালি করে অনেকে কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভূক্তভোগী জানান, ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা দালালদের ব্যবহার করে নিজেদের পকেট ভারী করছেন।
সৈয়দপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রমিজ আলম বলেন, দালালদের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ