• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ

সিসি নিউজ ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (৪০ দিন) কাজে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। কর্মসূচিতে গ্রাম পুলিশের সদস্য ও ব্যবসায়ীকে  অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আবার এমন কেউ  আছেন যে তিনি জানেন না তার নাম এ কর্মসূচীতে আছে। এছাড়া এ কর্মসূচীর অনেকেই অবার সরকারি  অন্যান্য সুবিধাও ভোগ করছে। ইউপি চেয়ারম্যান এবং শ্রমিক সরদারের স্বজনপ্রীতি ও যোগসাজশে কর্মসূচির কাজে অনিয়ম হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নে ২০১৮ সাল থেকে ৫ টি দলে ১৯৮ জন শ্রমিকের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এদের মধ্যে  মানিক ও গুলজার নামের দু’জন গ্রাম পুলিশ রয়েছে যারা কোন কাজ না করেই নিয়মিত টাকা উত্তোলন করছেন। এছাড়া ভিজিডি ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর সুবিধাভোগকারী ধলাগাছ মাঝপাড়ার  মমিনুলের স্ত্রী সেফালী, একই গ্রামের সরদারপাড়ার নূর মোহাম্মদের স্ত্রী বেলী এবং সামেদুল  এ কর্মসূচিটির আওতায় কাজ করছে। বর্তমানে ইউনিয়নটিতে  দুটি প্রকল্প চলমান। এর মধ্যে ৪ টি দল ধলাগাছের আবাসন ও অন্যটি একটি দল চিকলির মসজিদের মাটি কাটার কাজ করছে।
সরেজমিন ওই  আবাসন প্রকল্পে গিয়ে ৪টি দলে ১৫৬ জন শ্রমিকের বদলে মাত্র ৫০ থেকে ৬০ জনকে কাজ করতে দেখা গেছে ।
অন্যান্য ইউনিয়নের চিত্রও একই রকম। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শ্রমিক সরদার ও চেয়ারম্যান পরস্পর যোগসাজশে কাজে  ফাঁকি দিয়ে বিল উত্তোলন করার চেষ্টা করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শ্রমিক বলেন, আমরা সারাদিন গতরে খাটি আর  অনেকেই কাজ না করেই টাকা তুলছে।
এ বিষয়ে কামারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম লোকমান বলেন,যে দু’জন গ্রাম পুলিশ ওই কর্মসূচীতে আছে তাদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে সুপারিশ করা হয়েছে । আর অন্যান্য সুবিধাভোগকারী যারা আছে যাচাই-বাছাই করে তাদের নাম বাদ দেওয়া হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল হাসনাত মিথু কাজের অনিয়মের বিষয় সম্পর্কে বলেন , বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অনিয়ম হলে বিল স্থগিত করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী  নাসিম আহমেদের  সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সেসব শ্রমিক কাজ করছেন শুধু তারাই  বিল পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ