• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সৈয়দপুর গোল্ড হলমার্ক সেন্টারের যাত্রা শুরু

সিসি নিউজ ।। সৈয়দপুরে এই প্রথম গ্রাহকদের মূল্যবান স্বর্ণালংকারের সঠিক মান যাচাইয়ের লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করলো সৈয়দপুর গোল্ড হলমার্ক সেন্টার। আজ বৃহস্পতিবার সকালে শহরের শের-ই-বাংলা সড়কের বাবু আলী কমপ্লেক্সে প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন সৈয়দপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রমিজ আলম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর পৌরসভার কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম রয়েল, সৈয়দপুর জুয়েলার্স সমিতির সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, নীলফামারী জুয়েলার্স সমিতির সভাপতি মো. সামসুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক আব্দুল করিম, সৈয়দপুর উপজেলা স্বর্ণ কারিগর সমিতির সভাপতি নুরুজ্জামান রাজু, সহ-সভাপতি আশিক হোসেন গোল্ডেন সহ জুয়েলার্স ও কারিগর সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

সৈয়দপুর গোল্ড হলমার্ক সেন্টারের সভাপতি মো. হায়দার সিসি নিউজকে জানান, হলমার্ককৃত স্বর্ণালংকার বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ও গ্রহণযোগ্য স্বর্ণালংকার। ক’বছর আগে আমাদের দেশে এর প্রচলন শুরু হয়েছে। এরফলে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণালংকার পিছনে ফেলে আজ দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে হলমার্ককৃত স্বর্ণালংকার। সে লক্ষ্যে বিশ্বসেরা প্রযুক্তির সমন্বয়ে সৈয়দপুর গোল্ড হলমার্ক সেন্টার স্বর্ণালংকারের সঠিক মান যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আমরা পূর্ণ নিশ্চয়তা প্রদান করছি।

হলমার্ক আসলে কী?

খাঁটি সোনা দিয়ে গয়না তৈরি করা সম্ভব নয়। তাই তার সঙ্গে নির্দিষ্ট পরিমাণমতো খাদ মেশানো হয়। এরপরই তা থেকে বিভিন্ন উপায়ে তৈরি করা হয় হরেক রকমের গয়নাগাটি। কিন্তু গয়না সোনার মধ্যে কোন প্রস্তুতকারক কতটা খাদ মেশাচ্ছেন হলমার্ক না থাকলে তা বোঝা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থা হলমার্ক গয়না কাগজপত্র ছাড়া বিক্রি করতে পারে না। সেক্ষেত্রে ওই কাগজপত্রেই উল্লেখ করা থাকে ঠিক কত পরিমাণ খাদ মেশানো রয়েছে আপনার গয়নায়। সোনার গুণগত মান যাচাই করে সার্টিফাই করার পদ্ধতিতে হলমার্কিং বলা হয়।

হলমার্ক সোনার গয়না তিনটি শুদ্ধতার মাপকাঠিতে পাওয়া যায়। ২২ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট ও ১৪ ক্যারেট। হলমার্ক সোনার গয়না কেনার ক্ষেত্রে মানক চিহ্ন, শুদ্ধতার গ্রেড, প্রস্তুতকারকের নাম বা চিহ্ন এবং পরীক্ষণ কেন্দ্রের ছাপ।  যদি কোনও গ্রাহকের মনে গহনার শুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন জাগে তাহলে জুয়েলার্স সমিতির স্বীকৃত কোনও গয়না পরীক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে তা পরীক্ষা করাতে পারবেন ক্রেতারা।

হলমার্ক দেওয়া থাকলে যে অর্থ দিয়ে গয়না কিনেছেন, কয়েক বছর পর তা বিক্রি করলেও সেই সময়ের মূল্যেই তা বিক্রি করতে পারেন। সেক্ষেত্রে যথেষ্ট লাভবান হতে পারেন ক্রেতারা। কিন্তু হলমার্ক না থাকলে সোনার সঠিক মূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তাই সোনার গয়না কেনার আগে হলমার্ক আছে কি না, তা দেখে নিন। নইলে বিপদে পড়তে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ