• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বাজেট মনগড়া, অবাস্তব: জিএম কাদের

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে মনগড়া, অবাস্তব বলে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি। তিনি বলেন, ‘২০২১-২০২২ সালের যে বাজেট পেশ করা হয়েছে তা কল্পনাপ্রসূত, মনগড়া এবং অবাস্তব। আন্দাজে করা এই বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়। বাজেটে বিশাল ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণ করতে যে ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে তা বাস্তবসম্মত নয়। এই বাজেট ব্যাপকভাবে সংশোধন বা রদবদল করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) বিকালে বাজেট অধিবেশন থেকে বের হয়ে জাতীয় সংসদের টানেলে গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

কাদের অভিযোগ করেন, স্বাস্থ্যখাতে নামমাত্র বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে, সামাজিক বেষ্টনিখাতে যা দেওয়া হয়েছে, তা বাজেটের তুলনায় অত্যন্ত কম। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা খাতেও অনেক কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জিএম কাদের আরও বলেন, ‘ধারণার বশবর্তী হয়ে অর্থমন্ত্রী বাজেট তৈরি করেছেন। এই বাজেট এতটাই পরিবর্তন করতে হবে, যে তাতে প্রণীত বাজেটের প্রকৃত রূপ থাকবে না। বাজেটে খরচ বাড়িয়েছেন, বাড়ানোর দরকারও আছে। তবে অর্থ আহরণের বিষয়ে তারা হোঁচট খেয়েছেন।’

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘গেলো বাজেটের লক্ষ্য অনুযায়ী ৬০ ভাগও রাজস্ব আদায় করতে পারেনি ১০ মাসে। সামনের দুই মাসে কতটা আদায় করতে পারবেন তাও জানেন না। যেটা প্রাক্কলন করেছেন, তাতে যথেষ্ঠ পরিমাণে ঘাটতি রয়েছে। জিডিপির ৬ দশমিক ২ ভাগ ঘাটতির বাজেট এর আগে আর হয়নি। ঘাটতির এই বাজেটে যত সুন্দর ভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে, তা ডিটেইলে দেখা গেছে অনেক কিছুই ফাঁক আছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, যারা করোনাকালে কর্মহীন হয়েছে এবং দারিদ্রসীমার নিচে চলে গেছেন, তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি বা তাদের জন্য আর্থিক সহায়তার সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা বাজেটে নেই।

বাজেটের ঘাটতি পূরণে বিদেশি ঋণ, স্বল্পসূদে ঋণ এবং বিভিন্ন খাত থেকে অর্থ প্রাপ্তির যে কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত বলে উল্লেখ করেন জিএম কাদের।

তিনি বলেন, ‘আগামীদিনের অর্থনৈতিক যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে তাতে এটা আদৌ অর্জন করা সম্ভব হবে কিনা তা বলা যাচ্ছে না। তাই রাজস্ব প্রাপ্তিতে যেমন বিশাল সমস্যা হতে পারে, তেমনিভাবে বাজেট অনুযায়ী অর্থায়নেও সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া যে সব বিষয়ে অগ্রাধিকার দিতে হবে, তা মুখে বলেছেন কিন্তু কাগজে মোটেই নেই।’

এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব (ঢাকা বিভাগ) লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি, পনির উদ্দিন আহমেদ এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ এমপি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ