• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সৈয়দপুরে প্রণোদনা পেলেন ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ শতাধিক খামারী

সিসি নিউজ ।। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় করোনাকালীণ প্রণোদনা পেলেন ৫শ’ ১৮জন খামারী। প্রণোদনা প্রাপ্ত খাতগুলো হলো গাভীর খামার, সোনালী মুরগী খামার, ব্রয়লার মুরগীর খামার ও হাঁস খামার। এসব খাতে মোট ৫২ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

সৈয়দপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য সেক্টরের মতো প্রাণিসম্পদ সেক্টরও করোনাকালীণ ক্ষতির শিকার হয়। করোনাকালে পশুখাদ্য সংকট, যোগাযোগ স্থবিরতা ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েন খামারীরা। দেশব্যাপী বিচ্ছিন্ন যোগাযোগের কারণে উৎপাদিত ডিম ও মুরগী বিক্রি করতে পারেননি অনেকে। ফলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন উপজেলার গাভীর খামারী, সোনালী মুরগীর খামারী, ব্রয়লার মুরগীর খামারী ও হাঁস খামারীরা। করোনাকালীণ ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত খামারীদের তালিকা অধিদপ্তরে প্রেরণ করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুল হক।
ওই তালিকা অনুযায়ী সৈয়দপুর উপজেলার ৩৭০ জন গাভীর খামারী ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ৩৪ জন সোনালী মুরগীর খামারী ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫শ’ টাকা, ৭৯জন ব্রয়লার মুরগীর খামারী ১০ লাখ ৬৩ হাজার ১শ’ ২৫ টাকা ও ৩৪ জন হাঁসের খামারী পান ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩শ’ ৭৫ টাকা। মোট ৫শ’ ১৮জন খামারীকে এসব প্রণোদনা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

গাভীর খামারী তাজুল ইসলাম বলেন, করোনায় লকডাউনের সময় গরুর খাবার ও পরিচর্যা নিয়ে খুবই সমস্যায় পড়েছিলাম। ওই সময় আমি আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছি। সরকারী এ প্রণোদনা আমার ক্ষতি পুষিয়ে দিয়েছে।

সৈয়দপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুল হক বলেন, করোনাকালে যেসব খামারী প্রকৃতপক্ষে আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন আমরা নিরপেক্ষভাবে তাদের তালিকা প্রস্তুত করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। স্থানীয় খামারীরা প্রণোদনার অর্থ পাওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ