• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামানত হারালেন তিন প্রার্থী নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত

২৬ মার্চ থেকে ট্রেন চালু করতে ভারতের চিঠি

সিসি নিউজ ডেস্ক।। করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকে গত ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচল করা বন্ধন ও মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধই আছে ট্রেনগুলোর চলাচল। তবে আগামী ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ট্রেন চলাচল পুনরায় চালুর জন্য ভারতের পক্ষ থেকে গতকাল চিঠি পেয়েছে বাংলাদেশ। রেলওয়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রেল সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ রেলওয়ে দিল্লির রেলওয়ে বোর্ডকে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি চিঠি পাঠিয়েছিল। বাংলাদেশের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছিল, এখন করোনা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে। দেশের সব ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আন্তদেশীয় তিনটি ট্রেন মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালি এক্সপ্রেস চালানো যায় কি না, সে বিষয়ে ভারতীয় রেলওয়ের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছিল চিঠিতে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল ১৫ মার্চ বাংলাদেশ রেলওয়েকে চিঠি পাঠিয়েছে দিল্লি রেলওয়ে বোর্ড। চিঠিতে আগামী ২৬ মার্চ থেকে আন্তদেশীয় ট্রেন চালু করার বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মতামত চেয়েছে তারা।

রেলের সূত্রটি আরও জানায়, আগামী ২৬ তারিখ থেকে আন্তদেশীয় ট্রেন চালুর বিষয়ে আগামী ২০ মার্চ একটি আন্তমন্ত্রণালয় সভা হবে। সভায় ২৬ মার্চ থেকে ট্রেন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। তা ছাড়া যারা ট্রেনে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাবে এবং ভারত থেকে বাংলাদেশে আসবে, তাদের করোনা টেস্ট করা হবে কি না এবং যদি করা হয়, তা কী প্রক্রিয়ায় হবে—এসব বিষয় নিয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হবে। আন্তমন্ত্রণালয় সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অংশ নেবে বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ৩ মার্চ ‘আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল কবে শুরু হবে জানতে ভারতকে চিঠি’—এমন শিরোনামে দৈনিক আজকের পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই প্রতিবেদনেই ভারতকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি চিঠি দেওয়ার বিষয়টি বলা হয়েছিল।

গত ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হয়েছিল। ট্রেনটি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে বাংলাদেশের দর্শনা বর্ডার হয়ে কলকাতা পর্যন্ত সপ্তাহে পাঁচ দিন মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচল করত। আর দুই দেশের মধ্যে বন্ধন এক্সপ্রেস গত ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয়েছিল। এই ট্রেন খুলনা থেকে বেনাপোল সীমান্ত হয়ে কলকাতা পর্যন্ত সপ্তাহে দুই দিন যাত্রী পরিবহন করত।

এই দুই আন্তদেশীয় ট্রেনের সঙ্গে মিতালি এক্সপ্রেস নামের আরও একটি নতুন আন্তদেশীয় ট্রেন যুক্ত হয়েছে। গত বছরের ২৭ মার্চ এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন ঘোষণা করেছিলেন। উদ্বোধন হলেও সে সময় ট্রেনটি চলাচল করতে পারেনি। কারণ করোনাভাইরাসের জন্য দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ ভিসা বন্ধ ছিল। ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশন থেকে চিলাহাটি-হলদিবাড়ী সীমান্ত হয়ে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত ট্রেনটির চলাচলের কথা রয়েছে।

উৎসঃ আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ