সিসি নিউজ ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে সম্মেলনের প্রায় তিন বছর পর ৭১ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মমতাজুল হক স্বাক্ষরিত কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরে বুধবার বিষয়টি প্রকাশ পেলে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
জানা যায়, ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে কামারপুকুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জিকো আহমেদ মামলা থাকার কারণে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় সাধারণ সম্পাদক পদে একক প্রার্থী ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন। আর সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন আকতার হোসেন বাদল, প্রকৌশলী সেকেন্দার আলী ও প্রকৌশলী একেএম রাশেদুজ্জামান রাশেদ। সভাপতি পদে সমঝোতা না হওয়ায় ওইদিন কমিটি গঠন না করেই কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ চলে যান। এর প্রায় এক মাস পর আকতার হোসেন বাদলকে সভাপতি ও মহসিনুল হক মহসিনকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হলেও অন্য পদের নাম ঘোষণা করা হয়নি।
এরপর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকতার হোসেন বাদল মারা যাওয়ায় পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে গত বছরের ২৩ জানুয়ারি উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্ত সেইসময়ও পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষনা দেওয়া হয়নি । এদিকে দীর্ঘদিন পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন বলেন, নতুন পুরোনোর সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুরোনো কমিটির নিস্ক্রিয় সদস্যরা বাদ পড়েছেন।
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোখছেদুল মোমিন বলেন, সম্মেলনে আমার কাঙ্খিত সাধারণ সম্পাদক পদে আমাকে মনোনয়ন না দেওয়ায় কিংবা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে আমার কোনো ক্ষোভ নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতৃবৃন্দ যে সিদ্ধান্ত দিবেন আমি সেটাই মাথা পেতে নিব। তিনি আরও বলেন, আশা করছি উপজেলা আওয়ামী লীগ এখন আগের থেকে আরও অনেক সংগঠিত ও শক্তিশালী হবে।