• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামানত হারালেন তিন প্রার্থী নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা দুই ধাপে, শুরু ২২ এপ্রিল

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। কেন্দ্রীয়ভাবে নয়, পুরোনো নিয়মে জেলায় জেলায় দুই ধাপে নেওয়া হবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। প্রথম ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২২ এপ্রিল। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে ঈদুল ফিতরের পরে। পরীক্ষার দুই সপ্তাহ আগে প্রবেশ পত্র পাবেন পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষা সংক্রান্ত এ সব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম গণমাধ্যমকে জানান, পরীক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে জেলা পর্যায়েই পরীক্ষা নেওয়া হবে। আগামী ২২ এপ্রিল প্রথম ধাপের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সব সময় জেলা পর্যায়েই অনুষ্ঠিত হয় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। তবে কেন্দ্রে দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধে এবার কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকায় অথবা বিভাগীয় পর্যায়ে এই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু সারা দেশের পরীক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসলো মন্ত্রণালয়।

জেলায় জেলায় প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা হওয়া নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই পাওয়া যাচ্ছে। মফস্বলের প্রার্থীরা বিশেষ করে মফস্বলের নারী প্রার্থীরা জেলায় জেলায় পরীক্ষার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে। পিরোজপুর জেলার প্রার্থী রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘নিজের জেলায় পরীক্ষা হবে এটা ভেবেই আবেদন করছিলাম। জেলায় না হইয়া ঢাকায় বা বিভাগে পরীক্ষা হইলে আমার পরীক্ষা দেওয়া হইতো না। নিজের জেলায় হওয়ায় আমার এবার পরীক্ষাইয় বসতে পারবো।’

অন্যদিকে বিভাগীয় পর্যায়ে থাকা প্রার্থীরা বলছেন, জেলায় পরীক্ষা হলে দুর্নীতি হয়। স্থানীয় নেতারা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে, তাই কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা হলেই ভালো হতো। এ বিষয়ে তানজিল ইসলাম নামের একজন প্রার্থী বলেন, ‘মফস্বলের হলগুলোতে দেদারসে নকল হয়। তাই ঢাকায় পরীক্ষা হলেও ভালো হতো।’

সারা দেশে ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এরপর গত ১০ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভায় ৩২ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়। প্রাথমিকের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় নিয়োগ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ