• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

ডোমারে লাঠির আঘাতে বৃদ্ধের মৃত্যু

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর ডোমারে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের বটতলা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইদ্রিস আলী (৬৫) ওই এলাকার সপির উদ্দিনের ছেলে। ওই ঘটনায় প্রতিবেশী আমীর আলীর ছেলে হাসিকুল ইসলামকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান ডোমার থানার পরিদর্শক মো. মাহমুদ উন নবী।
হরিণচড়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মাহবুব আলম জানান, ইদ্রিস আলীর পরিবারের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল প্রতিবেশী হাসিকুলের পরিবারে। মঙ্গলবার ইদ্রিস আলীর একটি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে হাসিকুল তাঁর হাতে থাকা লাঠি দিয়ে ইদ্রিসের মাথায় আঘাত করলে গুরুতর আহত হন ইদ্রিস। পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে দ্রুত ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎক ইদ্রিস আলীকে মৃত ঘোষণা করে।
ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তপন কুমার রায় জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তাকে আমরা মৃত অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পেয়েছি। এছাড়াও হাসিকুল নামের আরেক রোগী গুরুত্বর অবস্থায় জরুরী বিভাগে ভর্তি হলে তাকে প্রয়োজনী প্রার্থমিক চিকিৎসা প্রদান শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য
রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে ডোমার থানার পুলিশের পরিদর্শক মো. মাহমুদ উন নবী বলেন, একটি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারিতে বৃদ্ধ ইদ্রিস আলী নিহত হন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠিয়েছে। তবে লাঠির আঘাতে মৃত্যু হয়েছে কিনা তা ময়না তদন্তের প্রতিবেদন আসার পর নিশ্চিত হয়া যাবে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক হাসিকুল নামের এজক ব্যক্তিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আটক করা হয়। ওই মারামারিতে হাসিকুল নিজেও আহত হন। তাকে পুলিশী হেফাজতে রেখে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে রাতেই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় হাসিকুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ