• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

গৌরবদীপ্ত বিজয়ের মাস শুরু

সিসি নিউজ।। আজ ১ ডিসেম্বর। শুরু হলো বাঙালির কাঙ্ক্ষিত মুক্তিসংগ্রামের বিজয় অর্জনের মাস ডিসেম্বর।৫১ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই ডিসেম্বরেই বাঙালির ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর দুই লাখ মা-বোনের সল্ফ্ভ্রমের বিনিময়ে এই ডিসেম্বরের ১৬ তারিখেই আমরা পেয়েছিলাম দেশের স্বাধীনতা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পেয়েছিলাম একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, একটি লাল-সবুজের পতাকা। তাই ডিসেম্বর মাস বাঙালি জাতিসত্তা আর নিজস্ব ভূমির গৌরবদীপ্ত বিজয় ও অহংকারের মাস।

মূলত একাত্তরের ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই বাঙালি বুঝতে পারে, তাদের জয় সুনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। কেননা, ডিসেম্বরের শুরুতেই মুক্তিযুদ্ধ সর্বাত্মক রূপ নেয়। চলতে থাকে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা হামলা। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। একের পর এক মুক্ত হতে থাকে দেশের বিভিন্ন জায়গা।

বরাবরের মতো এবারের বিজয়ের মাসও শুরু হয়েছে সব যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় কার্যকর করার সুদৃঢ় দাবির মধ্য দিয়ে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পরপরই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি এবং ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও পরপর আরও দুই দফা ক্ষমতাসীন হয়ে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার সেই বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে। তিন মেয়াদের আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে জাতির বহু কাঙ্ক্ষিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম অনেকটা চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে।

ইতোমধ্যে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের ৪৯টি মামলার বিচারের রায় হয়েছে। এসব রায়ে প্রায় ৮৫ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির রায় হয়েছে। আটজনের ফাঁসির রায় কার্যকরও হয়েছে। বাকিদের মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রতি বছরের মতো এবারও বিজয়ের মাসে দেশবাসী বিজয়ের আনন্দে উচ্ছ্বসিত হবে। বিজয়ের মাসের প্রথম প্রহর বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ‘শিখা চিরন্তন’-এ আলোক প্রজ্বালনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছে মাসব্যাপী কর্মসূচির। এদিনটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ‘৭১। এক বিবৃতিতে ফোরামের কার্যনির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল আলম ও মহাসচিব হারুন হাবীব এই দাবি জানান।

সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ‘৭১ আজ কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা এবং সব জেলা, মহানগর ও প্রাতিষ্ঠানিক কমিটিগুলোর মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ পালন করবে। এ ছাড়া জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এবং মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনও আজ দেশব্যাপী ‘মুক্তিযোদ্ধা’ দিবস পালন করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ