• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

রংপুরের হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার

সিসি নিউজ ডেস্ক।। রংপুরে আর্থিক লেনদেনের বিরোধের জেরে রেজাউল করিমকে (৪২) নামে এক ব্যক্তি কুপিয়ে হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানী উত্তরার দক্ষিণখানের মুক্তিযোদ্ধা রোড থেকে আসামি মোশারফ হোসেন ওরফে নয়নকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি মোশারফ হোসেন ওরফে নয়ন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আব্দুস সামাদের ছেলে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-১ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ (মিডিয়া) মো. পারভেজ রানা জানান, ভুক্তভোগী রেজাউল করিম (২৮) এবং আসামি মো. মোশারফ হোসেন ওরফে নয়ন (৪২) একই ওষুধ কোম্পানিতে চাকরির করতেন। সেই সুবাদে তাঁদের মধ্যে আর্থিক লেনদেন হয় এবং সেটি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বিরোধের একপর্যায়ে ২০০৯ সালের ৯ ডিসেম্বর আসামি নয়ন এবং তাঁর সহযোগী কসাই ওরফে শফিক মিলে চাপাতি দিয়ে রেজাউল করিমকে কুপিয়ে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় রেজাউল করিমের স্ত্রী বাদী হয়ে রংপুরের বদরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে মোশারফ হোসেন নয়ন ও কসাই ওরফে শফিকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ। পরে ২০১৯ সালে ওই মামলার রায়ে দুজনকেই মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন আদালত।

এএসপি পারভেজ রানা জানান, রায়ের পর পরই মোশারফ হোসেন পালিয়ে ভারতে চলে যান। দীর্ঘদিন ভারতে পলাতক থাকার পরে নয়ন বিগত দুই-তিন মাস পূর্বে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এরপর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণখান থেকে নয়নকে গ্রেপ্তার করা হয়। উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ