• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

জলঢাকায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে তিন কোটি টাকা সম্পদ পুড়ে ছাই

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর জলঢাকা পৌর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৮ জুলাই) মধ্য রাতে বাজারের মনিহারি পট্রিতে এ ঘটনা ঘটে। এতে কসমেটিকস পন্যের একটি গোডাউন, ৩টি পাইকারি কসমেটিকস ও ৩টি গালামালের দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানায়, বাজারের ব্যবসায়ী আজিজুল হকের পাইকারি কসমেটিকস দোকানের বৈদ্যুতিক মিটারের আগুনের সূত্রপাত ঘটে৷ তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রথমে জলঢাকা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করলেও পরবর্তীতে নীলফামারী, ডোমার, ডিমলা, কিশোরগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিটের সদস্যরা যোগ দেয়। পরে প্রায় দেড় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে৷ ব্যবসায়ীদের দাবী আগুনে গোডাউনসহ ৭টি দোকানের প্রায় ৩ কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।

ব্যবসায়ী আজিজুল হক বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে আমার দোকানের বৈদ্যুতিক মিটার থেকে আগুন লেগেছে। আমি তো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাসায় যাই, তাই আগুন কোথা থেকে সূত্রপাত তা জানিনা। তবে আমার সব পণ্য আগুনে পুড়ে শেষ। পুঁজি হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব।

রিফাত হোসেন নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, আনুমানিক রাত সাড়ে ১১ টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আমার দোকান ও গোডাউনের মালামাল সহ এক কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন পথে বসা ছাড়া উপায় নাই।

জলঢাকা ফায়ার এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার রিফাত আল মামুন বলেন, বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে বলে জানাচ্ছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে তদন্ত করে বিস্তারিত বলা যাবে। আগুন নিয়ন্ত্রণের জেলার কয়েকটি উপজেলার ৫টি ইউনিট আমরা কাজ করি। দেড় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ