• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

তারাগঞ্জে অটোচালকের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার: মাদকের টাকা জোগাতে হত্যাকাণ্ড

সিসি নিউজ।। রংপুরের তারাগঞ্জে মাদকের টাকা জোগাতে খুন, ছিনতাইসহ নানা অপকর্ম করে এমন একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ এক অটোচালককে খুঁজতে গিয়ে ওই চক্রটির সন্ধান পায় তারা। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৯ দিন আগে নিখোঁজ হওয়া অটো রিকশাচালক হাবিবুর রহমানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ফাজিলপুর ডাঙ্গার দোলা ডিবিএল ইটভাটার দক্ষিণ পাশের মাঠ থেকে মরদেহটি উদ্ধার হয়। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে তাঁদের গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা খুন ও ছিনতাইয়ের বিষয়টি স্বীকার করেন। এসব তথ্য জানিয়েছেন তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান।

নিহত অটো রিকশাচালকের নাম হাবিবুর রহমান (২৩)। তিনি আলমপুর ইউনিয়নের ফাজিলপুরের বানিয়াপাড়া গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে।

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন একই ইউনিয়নের দোয়ালীপাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম (৩০), মোশফেকুর রহমান (২৩) ও সোহাগ হোসেন (৩৫)।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, হাবিবুর রহমান ৩১ আগস্ট অটো রিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির করে তাঁকে না পাওয়ায় গতকাল শুক্রবার থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন হাবিবুরের বাবা ওয়াহেদ আলী।

এরপর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শরিফুল ইসলাম, মোশফেকুর রহমান ও সোহাগ হোসেনকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নেয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা হাবিবুরের মরদেহের সন্ধান দেন।

আসামিদের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, ৩১ আগস্ট চিকলী বাজার থেকে হাবিবুরের অটো রিকশাটি ভাড়া করেন শরিফুল, মোশফেকুর ও সোহাগ। এরপর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে রাতে আলমপুর ইউনিয়নের ফাজিলপুর ডাঙ্গার দোলা ডিবিএল ইটভাটার কাছে নিয়ে যান। সেখানে হাবিবুরকে শ্বাসরোধে হত্যা করে, মরদেহ বস্তায় ভরে ডোবায় ফেলে দিয়ে অটোরিকশা ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যান তাঁরা।

এ বিষয়ে তারাগঞ্জ থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘হাবিবুরের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তাঁর বাবা ওয়াহেদ আলী গতকাল শুক্রবার থানায় জানান। আমরা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তিনজনকে আটক করি। পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে হাবিবুরের লাশ উদ্ধার করা হয়।’

ওসি আরও বলেন, ‘মূলত মাদকের টাকা জোগাতে অটো ছিনতাইয়ের জন্য এ হত্যাকাণ্ড চালায় তাঁরা। তাদের নামে থানায় মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় হাবিবুরের বাবা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।’

তথ্য: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ