• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

আবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়

সিসি নিউজ ডেস্ক।। শীত জেঁকে বসেছে পঞ্চগড়ে তেঁতুলিয়া উপজেলায়। উত্তর দিক থেকে আসা হিমালয়ের হিম বাতাস এবং ঘন কুয়াশার কারণে চরম বিপাকে পড়েছে এ অঞ্চলের সাধারণ ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। আজ শনিবার সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা আজ সারা দেশেরও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

তবে গতকালের চেয়ে তাপমাত্রা বেড়েছে উপজেলাটিতে। গতকাল শুক্রবার মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশির শাহ জানান, আজ সকাল ৬ ও ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এ উপজেলা তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাবে এবং শীত আরও তীব্রতা পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যার পর থেকে উত্তর দিক থেকে হিম বাতাস এ উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায়। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো পরে শিশির বিন্দু। সঙ্গে কুয়াশায় ঢেকে থাকে চারপাশ। যা অব্যাহত থাকে পরদিন সকাল পর্যন্ত। কোনো কোনো দিন সূর্যের আলো দেখা পাওয়া গেলেও মিলে না তেমন উত্তাপ। ফলে মাঘ মাসের কনকনে শীতে জবুথবু অবস্থা এ অঞ্চলের মানুষের।

তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর এলাকার ভ্যানচালক জিতেন রায় বলেন, ‘মানুষ প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হয় না। আগের মতো যাত্রী না পেয়ে বেকার সময় পার করতে হচ্ছে আমাদের। শীত মৌসুমে আসলে আমাদের অনেক কষ্ট হয়।’

মহানন্দা নদীতে পাথর উত্তোলন করতে আসা পাথরশ্রমিক আব্দুস সালাম বলেন, ‘বরফের পানির চেয়েও ঠান্ডা মহানন্দা নদীর পানি। এই কনকনে মাঘের শীতে ঠান্ডা পানিতে নেমে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। এতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। কেউ আমাদের খোঁজখবর নেয় না।’

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলের রাব্বি বলেন, যেহেতু এ উপজেলা সবচেয়ে বেশি শীত অনুভূত হয়, তাই আগেভাগেই শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করা হয়েছে। মূলত যারা প্রকৃত গরিব, অসহায় তাঁদের মাঝে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে। এটি অব্যাহত থাকবে। উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ