• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

মাদকাসক্ত বাবার বিরুদ্ধে মেয়ের মামলা

Madokসিসি নিউজ: নেশার টাকার জন্য মারধর ও স্বর্ণ চুরির অভিযোগে এক মাদকাসক্ত বাবার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে তার দুই মেয়ে।
তাহমিনা আক্তার রুনা (২৮) এবং খালেদা হক সাকি (২৬) নামে ওই দুই মেয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নুরের আদালতে ওই মামলা করেন।
তাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রউফ মিয়া জানান, বিচারক শুনানি শেষে ওই মাদকাসক্ত বাবা ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার নবীনগর থানার মৃত কেরামত আলীর ছেলে মো. রহিছ মিয়ার (৪৬) বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।
তাহমিনা আক্তার রুনা এবং খালেদা হক সাকি মামলায় অভিযোগ করেন, তাদের বাবা রহিছ মিয়া তার মায়ের সঙ্গে বিয়ের পূর্ব থেকে মাদকাশক্ত ও চরিত্রহীন ছিলেন। তার বাবার মাদকাসক্ত ও চরিত্রহীনতার কারণে তার মা প্রায় ১০ বছর আগে মারা যান। এরপর সে দ্বিতীয় বিবাহ করলেও তাদের সৎ মা তার বাবার অত্যাচার নির্যাতনের কারণে সে তার বাবার বাড়ীই থাকেন। তার বাবার মাদকাশক্ত ও চরিত্রহীনতার কারণে কোটি টাকার সম্পদ শেষ করেছেন।
বর্তমানে নিজ কোনো সম্পত্তি না থাকায় তাদের স্বামীর সংসারে এসে নেশা করার টাতা দাবি করে। বিভিন্ন সময় তারা বাবাকে হাজার হাজার টাকাও দিয়েছে। বর্তমানে বাবার কার্যকলাপে তারা স্বামীর সংসারে অতিষ্ট।
সর্বশেষ গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তার বাবা নেশার জন্য তাদের স্বামীর শাহজাহানপুরের বাসায় টাকা দাবি করে। দিতে অস্বীকার করায় সে তাদের মারধর করে আলমারি চাবি নিয়ে ৩ ভরির স্বর্ণের সিতা হার, ১ ভোরির স্বর্ণের চেইন, একটি স্বর্ণের আংটি এবং নগদ ৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
মামলার পর তাহমিনা আক্তার রুনা জানান, তার ছোট একটি ভাই রয়েছে। যার ভবিষ্যতের জন্য তারা বাবা একটু সম্পদও রাখেননি। তারা চান, তার বাবা কারাগারে থেকে যদি নিজের ভুল বুঝতে পারেন তাই তারা এ মামলা করতে এসেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ