বগুড়া: বগুড়ার সারিয়াকান্দীতে লতিফুন (২৮) নামের এক গৃহবধূর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়েছে পাষণ্ডস্বামী। গুরুতর দগ্ধ ওই গৃহবধূকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, আগুনে লতিফুনের শরীরের ৯০ ভাগই পুড়ে গেছে। তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। পরে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে বগুড়া শহর থেকে লতিফুনের স্বামী হায়দার আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গৃহবধূর স্বজনরা জানিয়েছেন, লতিফুন বগুড়ার একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন। তার বাড়ি বগুড়ার সারিয়াকান্দীর নান্দিয়ার পাড়ায়। কয়েক মাস আগে গাবতলী উপজেলার বাইগুনি এলাকার হায়দার আলীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিবারের অমতে তিন মাস আগে দু’জন বিয়ে করেন। হায়দার এর আগেও একটি বিয়ে করেছিলেন। এটি গোপন ছিল। দু’দিন আগে লতিফুন তার স্বামীকে নিয়ে সারিয়াকান্দীর কনির্ববাড়ি এলাকায় ভাই হেলালের বাড়িতে বেড়াতে যান। শুক্রবার রাতে বিয়ের বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে স্বামী তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়।
শজিমেক বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক আব্দুল জলিল জানানি, আগুনে লতিফুনের শরীরের ৯০ ভাগই পুড়ে গেছে। তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফাইজুল ইসলাম জানান, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূর স্বামী হায়দার আলীকে বগুড়া শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্ত্রীর কাছে টাকা না পেয়ে সে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে।