• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সৈয়দপুরে কিশোর ইয়াসিন হত্যার বিচারের দাবিতে সড়ক অবরোধ

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে সদ্য এসএসসি পাস করা ইয়াসিন (১৯) ছাত্রের হত্যার বিচারের দাবীতে সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নিহত ইয়াসিনের পরিবার ও এলাকাবাসী।
আজ শুক্রবার  বিকেল ৪ টার দিকে শুরু হয় এ কর্মসূচী। উপজেলার লক্ষণপুর পাঠান পাড়া থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সামনে প্রায় এক ঘন্টা সৈয়দপুর-পার্বতীপুর মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন তারা।
পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি দল এসে বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধকারীরা রাস্তা ছেড়ে সরে দাড়ান। এতে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত ইয়াসিনের মা মেনহারুল, বোন মিনা, এলাকাবাসি আযহার ও রহমত খান ।
বক্তারা বলেন, গত বুধবার রাতে নিহত ইয়াসিন সৈয়দপুর ক্ষুদ্র কুটির শিল্প মেলায় রাত ১১টা পর্যন্ত সহপাঠীদের সঙ্গে ছিলেন। পরে কে বা কাহারা উপজেলার সাইলার মোড় নামক স্থানে ডেকে নিয়ে যায়। তার পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী খোঁজা খুজির পর পরে দিন বৃহস্পতিবার সকালে শহরের বগুড়া ক্যানেল সেলফির মোড় নামক স্থানে আকাশমনি গাছের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।
বক্তাদের দাবি , একই এলাকার এক মেয়ের সাথে সম্পর্ক থাকায় মেয়ের পরিবার রাতে ইয়াসিনকে হত্যা করে আকাশমনি কাছে ঝুলিয়ে রাখে মরদেহ।
নিহত মা ও বোন এবং সহপাঠীরা অভিযোগ করে বলেন, ওই মেয়ের পরিবার তাদেরকে হুমকি প্রদান করে যাতে বিষয়টা নিয়ে যাতে বাড়াবাড়ি না করি।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা বিচারের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। সেনাবাহিনী প্রথমে যানযট নিয়ন্ত্রণ করেন। তারপর নিহতর পরিবার ও এলাকাবাসীর কাছে বিষয়টি শোনেন এবং সঠিক বিচারের আশ্বাস দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ