• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

সৈয়দপুরের স্থানীয় শহীদ দিবস পালিত

সিসি নিউজ।। ১২ এপ্রিল, নীলফামারীর সৈয়দপুরের স্থানীয় শহীদ দিবস পালিত হয়েছে। দিবস উপলক্ষে শহীদদের সন্তানের সংগঠন প্রজন্ম ’৭১ সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা শাখার উদ্যোগে শহীদবেদী পুষ্পমাল্য অর্পণ, বিশেষ দোয়া ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রংপুর সদরের নিসবেতগঞ্জ বালারখাল বধ্যভুমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শহীদদের সন্তানের সংগঠন প্রজন্ম ’৭১ সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা শাখার আহবায়ক মো. মুজিবুল হক।
এতে অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা কালিরঞ্জন বর্মণ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড রংপুর জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড রংপুর মহানগর ইউনিটের বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস্ সাত্তার, সাবেক ছাত্র নেতা ও লেখক স, ম আমজাদ হোসেন সরকার, বাসদ রংপুর এর আহবায়ক মমদেল হোসেন সরকার, বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান খায়রুল ইসলাম দুখু, সৈয়দপুরের শহীদ পরিবারের সন্তান মো. রাশেদুজ্জামান রাশেদ, লিয়াকত হোসেন লিটন, প্রকৌশলী মো. মোনায়মুল হক, ইফফাত আরা কলি, সাংবাদিক এম আর আলম ঝন্টু প্রমুখ।
এর আগে সেখানে বালারখাল বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়েছে। স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে বীবমুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে সৈয়দপুর শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি অম্লাণে প্রজন্ম ’৭১ সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা শাখা ও প্রথম আলো বন্ধুসভার উদ্যোগে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
উল্লেখ্য, ১২ এপ্রিল সৈয়দপুরের স্থানীয় শহীদ দিবস। সৈয়দপুরবাসীর জন্য অত্যন্ত শোকাবহ একটি দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানী বাহিনীর বুলেটের আঘাতে প্রাণ দিয়েছিলেন সৈয়দপুর শহরের রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী সেনাদের একটি কনভয় দল ডা. জিকরুল হকসহ প্রায় ১৫০ জনকে আটক করে নিয়ে যায় সৈয়দপুর সেনানিবাসে। এরপর সেখানে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত তাদের ওপর দীর্ঘ ১৯ দিন চালানো হয় নির্মম শারীরিক অত্যাচার-নির্যাতন। পরবর্তীতে ১২ এপ্রিল স্বাধীনতাকামী এসব মানুষকে নিয়ে যাওয়া হয় সৈয়দপুর থেকে প্রায় ৪০ কি. মি দূরে রংপুর সেনানিবাসের দক্ষিণে উপশহর নিসবেতগঞ্জ এলাকায় ঘাঘট নদীর বালুচরে। সেখানে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করে মেশিনগানের ব্রাশ ফায়ারে নির্মমভাবে তাদের হত্যা করা হয়। এদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীণ প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য ডা. জিকরুল হক, ডা. সামসুল হক, ডা. বদিউজ্জামান, আমিনুল হক, কুদরত-ই-এলাহী, আশরাফ আলী, ডা, আব্দুল আজিজ, সমাজকর্মী তুলশীরাম আগরওয়ালা, রামেশ্বর আগরওয়ালা, রেলওয়ে কর্মকর্তা আয়েজ উদ্দিনসহ নাম না জানা অনেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ