সিসি নিউজ ডেস্ক।। ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারপ্রতি ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে প্রতি লিটার ৯৬ টাকা ৮৬ পয়সা থেকে বেড়ে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা হয়েছে। আজ বুধবার রাত ১২টার পর নতুন দর কার্যকর হবে।
আজ এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে বিইআরসি। বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশে বছরে প্রায় ২০ লাখ টন ফার্নেস অয়েল ব্যবহার হয়। ফলে দাম বাড়ায় জ্বালানি তেলনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় বাড়তে পারে।
এর আগে টানা দুই মাস ফার্নেস অয়েলের দাম কমিয়েছিল কমিশন। গত ৩০ জুন প্রতি লিটারের দাম ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা থেকে কমিয়ে ১০৯ টাকা ১০ পয়সা করা হয়। পরের দুই মাসে তা আরও কমে ৯৬ টাকা ৮৬ পয়সায় নামে। এবার একধাক্কায় ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়ানো হলো।
আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করছে বিইআরসি। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস অয়েল ও জেট এ-১-এর দাম নির্ধারণের এখতিয়ার কমিশনকে দেওয়া হয়। পরের বছরের জানুয়ারিতে গণশুনানির পর ২২ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি। এর পর থেকে প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন দর ঘোষণা করছে কমিশন।
প্রকৃতি: এটি দেখতে কালচে রঙের, ভারী এবং খুব ঘন তরল।
ক্যালোরিফিক ভ্যালু: এতে প্রচুর পরিমাণে শক্তি বা তাপ ধারণক্ষমতা থাকে।
অন্য নাম: একে আন্তর্জাতিকভাবে ফুয়েল অয়েল (Fuel Oil) বা বান্কার ফুয়েল (Bunker fuel) বলা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে এটি এফএফও (Full Furnace Oil) বা এইচএফও (Heavy Furnace Oil) নামেও পরিচিত।
বিদ্যুৎ উৎপাদন: বাংলাদেশে এবং বিভিন্ন দেশে থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রচুর পরিমাণে ফার্নেস অয়েল ব্যবহৃত হয়।
ভারী শিল্প কারখানা: বিভিন্ন কারখানার বয়লার, ফার্নেস এবং স্টিম তৈরির কাজে এটি প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সামুদ্রিক জাহাজ: বড় বড় সামুদ্রিক জাহাজের ইঞ্জিন চালনাতেও এটি ব্যবহার করা হয়।