সিসি নিউজ।। ঢাকায় রাকিব হোসেন (১৭) যুবককে হত্যার পর মরদেহ নীলফামারীর ডিমলায় এনে নিজ বসতভিটায় পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে মামুন হোসেন (২৩) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মরদেহটি বসতভিটে খনন করে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইলের গোপালপুর এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে। তিনি ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকার কাফরুল থানাধীন শ্যাওড়াপাড়ায় অনার্স ভর্তি কোচিং করতে গিয়ে অভিযুক্ত মামুনের সঙ্গে পরিচিত হন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গত মাসের ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মেয়েঘটিত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। এর দুইদিন পরেই কার্টুনে প্যাকেট করে বাসের লকারে তুলে লাশ নিজ বাড়িতে এনে পুতে রাখে মামুন। এরপর এআই দিয়ে মামুনকে জীবিত দেখিয়ে ভিডিও তৈরি করে ৪ লাখ টাকা নিহতের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবী করেন অভিযুক্ত।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই জহুরুল ইসলাম জীবন গতকাল সোমবার নিজে বাদী হয়ে কাফরুল থানায় একটি অপহরণের মামলা দায়ের করে।
অভিযুক্ত মামুন হোসেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বসুনিয়াপাড়া এলাকার আফসার আলীর ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, হত্যার পর রাকিবের মরদেহ একটি কাটুর্নে করে ঢাকা থেকে ডিমলায় এনে স্বজনদের পচা মাছ বলে নিজ বসতভিটায় লাশ পুঁতে রাখা হয়।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, কাফরুল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আসামির দেখানো স্থান থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি জানান, মামুন অনলাইনে প্রতারণার কাজে জড়িত। এদিকে উদ্ধারকৃত লাশের ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে পাঠানো হয়েছে।